Home /News /north-bengal /

জলপাইগুড়িতে শিশুপাচার চক্রে এবার জড়াল বিজেপি নেত্রীর নাম

জলপাইগুড়িতে শিশুপাচার চক্রে এবার জড়াল বিজেপি নেত্রীর নাম

  • Share this:

    #কলকাতা: জলপাইগুড়িতে শিশুপাচার চক্রে এবার নাম জড়াল বিজেপি নেত্রীর ৷ তদন্তকারী আধিকারিকদের অনুমান, বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা নেত্রী ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৷ মূল অভিযুক্ত ময়নাগুড়ির প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা চক্রবর্তীর সঙ্গে শিশুপাচারে বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক জুহি চৌধুরীর যুক্ত থাকার তথ্য উঠে এসেছে ৷

    ঘটনার পর থেকেই পলাতক এই গেরুয়া শিবিরের নেত্রী ৷ পলাতক জুহি চৌধুরীর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ ৷ শিশুপাচারে সরাসরি এই বিজেপি নেত্রীর যোগ ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের ৷ বিভিন্ন নার্সিংহোম ও হাসপাতালে যোগাযোগ রয়েছে জুহির ৷ মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক জুহি চৌধুরীর নামে FIR দায়ের করা হয়েছে ৷

    গরিব বাবা-মাকে বুঝিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে তাঁদের সন্তানদের এক সংস্থার মাধ্যমে দত্তক দেওয়া হত ৷ আইনি পরামর্শেই সম্পন্ন হত দত্তক প্রক্রিয়া ৷ ওই সংস্থার মালিক চন্দনা চক্রবর্তীকে আগেই গ্রেফতার করেছে সিআইডি ৷ এবার জুহির খোঁজ চালাচ্ছে সিআইডি ৷

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আড়ালে শিশুপাচার চক্র। মোটা টাকার বিনিময়ে বেআইনি পথে বাচ্চাদের দত্তক দেওয়া হত। যার মাথায় ছিলেন ময়নাগুড়ির প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা চক্রবর্তী। তদন্তে নেমে শনিবারই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সিআইডি। রবিবার তাঁকে জলপাইগুড়ি বিশেষ আদালতে তোলা হলে, ১৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    জলপাইগুড়িতে কীভাবে চলত শিশুপাচার চক্র? - জেলার অ্যাডপশন এজেন্সি 'নর্থ বেঙ্গল পিপলস ডেভলপমেন্ট সেন্টার'-এর চেয়ারপার্সন চন্দনা চক্রবর্তী - জলপাইগুড়িতে শিশু দত্তক দেওয়ার লাইসেন্স এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের হাতে - সংগঠনটির অধীনে একাধিক হোমও রয়েছে - সেই হোমগুলি থেকেই বেআইনিভাবে শিশুপাচার করা হত বলে অভিযোগ - ২০১৩ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ১৭টি শিশুকে চন্দনা চক্রবর্তী বেআইনি ভাবে দত্তক দিয়েছেন বলেও অভিযোগ

    প্রায় আটমাস আগে শিশুপাচারের অভিযোগ জানিয়ে, সমাজকল্যাণ দফতরের অধীন চাইল্ড রাইট অ্যান্ড ট্র্যাফিকিং বিভাগে চিঠি লেখে জলপাইগুড়ির চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি। তারপরই তদন্তে নামে সিআইডি। শনিবার 'নর্থ বেঙ্গল পিপলস ডেভলপমেন্ট সেন্টারের অধীনে থাকা তিনটি হোমে তল্লাশি চালান সিআইডি আধিকারিকরা। বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশকিছু নথি। এরপরই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত চন্দনা চক্রবর্তীকে। তদন্তে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকার ঘনিষ্ঠ যোগের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। যদিও শিশুপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

    অভিযুক্ত চন্দনা চক্রবর্তীকে জেরা করে জেলায় শিশুপাচার চক্রের শিকড়ের খোঁজে তদন্তকারীরা।

    First published:

    Tags: BJP Leader, BJP Leader Juhi chowdhury, Jalpaiguri Child Trafficking Case

    পরবর্তী খবর