corona virus btn
corona virus btn
Loading

১০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাহাড়ে তৈরি হবে বায়োটেক হাব, হবে উন্নত অর্কিড ও মাশরুম চাষ 

১০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাহাড়ে তৈরি হবে বায়োটেক হাব, হবে উন্নত অর্কিড ও মাশরুম চাষ 
Representational Image

পাহাড়ের অর্কিডের চাহিদা ভিন দেশেও। হাব হলে তা আরও বাড়বে। আশার আলো দেখছেন চাষীরা ৷

  • Share this:

#কালিম্পং: সাদা অর্কিডের দেশ বলা হয় কার্শিয়ংকে। বাহারি প্রজাতির অর্কিডের দেখা মিলবে এখানে। কালিম্পংয়েও যেদিকেই চোখ যায় অর্কিডের বাহার। পাহাড় এবং ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় অর্কিডের চাষ হয়। সেইসঙ্গে মাশরুমের চাষও হয়ে থাকে এই এলাকায়। পাহাড় এবং ডুয়ার্সের বিভিন্ন বাড়িতে মাশরুমের চাষ হয়ে থাকে। সাধারনত জৈব সারে চাষাবাদ হচ্ছে পাহাড়ে। এবারে এই অর্কিড এবং মাশরুমের জন্য কালিম্পংয়ে বড় বায়োটেক হাব এবং গবেষণাগার তৈরি হবে। উদ্যোগ নিল রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি দফতর।

এ জন্য প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে উত্তরকণ্যায় বৈঠক করেছেন বিভাগীয় মুখ্য সচিব বরুণ রায়। কালিম্পংয়ে চার একর জমির ওপর গড়ে উঠবে এই হাব। জেলা প্রশাসনকে দ্রুত জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। এতে পাহাড় এবং ডুয়ার্সের অর্কিড ও মাশরুম চাষীদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে। পাহাড়ের অর্কিড বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়ে থাকে। নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড এবং হংকংয়ে বেশ চাহিদা রয়েছে এখানকার অর্কিডের।

আর এই হাব তৈরি হলে রফতানি আরও বাড়বে বলে আশাবাদী প্রশাসন। সেই লক্ষ্যেই এখানকার চাষীদের উন্নত প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করছে রাজ্য। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাহাড় ও ডুয়ার্সে প্রায় পাঁচ হাজার চাষী অর্কিড এবং মাশরুম চাষ করে থাকে। তৈরি করা হবে একটি গবেষনাগারও। এর ফলে আরও উন্নত প্রজাতির অর্কিড এবং মাশরুম চাষ করতে পারবে চাষীরা। যার চাহিদা ভাড়বে ভিন দেশেও। বায়োটেক হাব এবং গবেষণাগার তৈরির জন্যে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করছে রাজ্য।

গবেষণায় সাফল্য এলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন চা বাগানের অব্যবহৃত ১৫ শতাংশ জমিতেও  অর্কিড এবং মাশরুম চাষ করা হবে প্রশাসনিক সূত্রের খবর। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অব্যবহৃত বায়োটেক গবেষণাগারটিকেও ফের চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য। দ্রুত যাতে তা চালু হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আর্থিক সহযোগিতাও করবে রাজ্য। এমন উদ্যোগে খুশি পাহাড়ের অর্কিড এবং মাশরুম চাষীরা। তারাও নতুন করে আশার আলো দেখছে।

Partha Pratim Sarkar

First published: March 5, 2020, 1:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर