পাহাড় দখলে মরিয়া মোর্চার দুই শিবির! কাল অনীতের পাল্টা সভা গুরুংয়ের 

পাহাড় দখলে মরিয়া মোর্চার দুই শিবির! কাল অনীতের পাল্টা সভা গুরুংয়ের 

একুশের নির্বাচনের আগে দুই শিবিরকে এক মঞ্চে বসানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের কাছে।

একুশের নির্বাচনের আগে দুই শিবিরকে এক মঞ্চে বসানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের কাছে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: পাহাড় কার? দখলে মরিয়া গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার দুই শিবির। টানাপোড়েন চলছে বিমল গুরুং বনাম বিনয় তামাংয়ের। একুশের নির্বাচনের আগে দুই শিবিরকে এক মঞ্চে বসানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের কাছে।

একেই কুরুক্ষেত্রের লড়াইয়ে পদ্ম শিবিরের সঙ্গে জোর লড়াই ঘাসফুল শিবিরের। সেখানে পাহাড়-সহ তরাই এবং ডুয়ার্সের গোর্খা অধ্যুষিত এলাকায় একাধক আসন জেতাই তৃণমূলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ কেননা গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আট আসনের মধ্যে সাতটিই পায় গেরুয়া শিবির। জলপাইগুড়ির সভা থেকে আক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তাই পাহাড় সহ ডুয়ার্স এবং তরাইয়ে ভালো প্রভাব থাকায় গুরুংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু মোর্চার দুই শিবিরের লড়াইয়ে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা নিয়ে যথেষ্টই উদ্বিগ্ন ঘাসফুল শিবির। তাই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই শিলিগুড়ি আসছেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এবং ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর।

সূত্রের খবর, ওই সময় দুই শিবিরের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন তারা। তার আগে আজও অনীত থাপার গলাতে সেই গুরুং বিরোধী সুর। গত রবিবারে দার্জিলিং মোটর স্ট্যাণ্ডের সভা থেকে বিনয় তামাং এবং অনীত থাপাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন গুরুং। তারই পালটা আজ সোনাদা থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার পদযাত্রা করে বিনয়পন্থী মোর্চা। মিছিলের নেতৃত্ব দেন জিটিএ চেয়ারম্যান অনীত থাপা। গোটা রাস্তাজুড়ে অনীতপন্থীদের উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। কোথাও পোড়ানো হল বাজি, পটকা। কোথাও আবার অনীতকে পুষ্পবৃষ্টির মধ্য দিয়ে বরণ করার হিড়িকের ছবি ধরা পড়লো। আবার কোথাও খাদা পড়ানোর ভিড়। মোর্চার দুই শিবিরের সভা, পালটা সভায় শীতের পাহাড় ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। যেখানে আজ পাহাড়ের তাপমাত্রা ছিল ৭-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সেখানে রাজনৈতিক উত্তাপ কয়েক গুণ বেশি। পদযাত্রা শেষে দার্জিলিংয়ে সভা করে অনীত পালটা আক্রমণ করেন গুরুংদের। তাঁর সাফ কথা, পাহাড়ে আর হিংসাত্মক আন্দোলন নয়, কোনো বনধ নয়। পাহাড়ে শান্তি ফিরে এসছে। তা অটুট রাখতে হবে। যারা অশান্তি ছড়াবে, তাদের ঠাঁই নেই পাহাড়ে।

লোকবল দেখানোর চাইতেই তার লক্ষ্য, নতুন ভাবনার মোড়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে পাহাড়কে। অন্যদিকে কালই পালটা সভার ডাক দিয়েছে গুরুংপন্থী মোর্চা। সিটংয়ের লাটপাংচারের সভায় থাকবেন বিমল গুরুং, রোশন গিরি। দার্জিলিংয়ের পাতলেবাসের দলীয় কার্যালয়ে চুপ করে বসে নেই গুরুং। সংঠনকে ঢেলে সাজাতে ময়দানে গুরুং।

Published by:Arka Deb
First published: