#CORONAPANIC: করোনা ভাইরাসের ভয়ে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের বাৎসরিক উৎসব বন্ধ

#CORONAPANIC: করোনা ভাইরাসের ভয়ে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের বাৎসরিক উৎসব বন্ধ

নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে রায়গঞ্জের ভারত সেবাশ্রম সংঘের বাৎসরিক অনুষ্ঠান ও মহোৎসব স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন উৎসব কমিটি।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে  রায়গঞ্জের ভারত সেবাশ্রম সংঘের বাৎসরিক অনুষ্ঠান ও মহোৎসব স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন উৎসব কমিটি। আগামীই ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারত সেবাশ্রম পরিচালিত সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আশ্রম কর্তৃপক্ষ।৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকার কারনের আশ্রম পরিচালিত আদিবাসি ছাত্রাবাস খালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রতিবছর রায়গঞ্জ দেবীনগরে ভারত সেবাশ্রম সংঘ মার্চের শেষ তারিখে বিশাল হোম যজ্ঞের আয়োজন করে থাকেন। তিনদিন ব্যাপি এই অনুষ্ঠান চলে।দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্ত এই উৎসবে অংশ নিয়ে থাকেন।বিভিন্ন রাজ্য থেকে স্বামীজিরা এই উৎসবে অংগ্রহন করেন।হোম যজ্ঞ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ধর্মিয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।উৎসবকে ঘিরে এলাকা  জমে ওঠে।এবারেও সেই অনুষ্ঠান নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী ২৭ থেকে ২৯ মার্চ হবার কথা ছিল।করোনা ভাইরাসের সর্তকতা হিসেবে গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সরকারি সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা ঘোষনা করেন।একই সঙ্গে এক জায়গায় বেশী মানুষ জমায়েত না হয় সেব্যাপারেও রাজ্যের মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।ভারত সেবাশ্রম সংঘের বাৎসরিক অনুষ্ঠানে বহু ভক্তের সমাগম হয়।তাই সরকারি এই সিদ্ধান্ত ঘোষনার পরই গতকাল রাতে উৎসব কমিটি তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেন।

বৈঠকে সরকারি নির্দেশকে গুরুত্ব দিয়ে আশ্রমের বাৎসরিক অনুষ্ঠানে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।একই সঙ্গে আশ্রম পরিচালিত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।আশ্রমের ভিতরে রয়েছে আদিবাসি আবাসিক ছাত্রাবাস।প্রায় ১৫০ জন আদিবাসি শিশু এই ছাত্রাবাসে থাকেন।কচিকাচারা যাতে এই রোগে আক্রান্ত না হয় তারজন্য ছাত্রাবাসের সমস্ত আবাসিক শিশুদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।বৈঠকে সিদ্ধান্তের পরই ছাত্রাবাসের আবাসিক শিশুর অবিভাবকদের জানিয়ে দেওয়া হয়।আশ্রমের এই নির্দেশ পাবার পরই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অবিভাবকরা।আজ সকাল থেকে দূরদূরান্ত থেকে অবিভাবকরা আশ্রমে পৌছে যান।উদবিগ্ন অবিভাবকরা সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে রওনা হন।ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ নিরজানন্দ জি মহারাজ জানিয়েছেন,করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রত্যেকেই আতঙ্কিত।রাজ্য সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একই সঙ্গে একসঙ্গে বেশী মানুষ জমায়েত না হয় সেবিষয়েও সরকার সতর্ক করেছে। সেই সতর্কতামূলক নির্দেশ অনুযায়ী তাদের এই পদক্ষেপ।পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের নির্দেশ বলবত থাকবে।দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা মংলি হাঁসদা জানিয়েছেন,করোনা ভাইরাসের কারনে তার ছেলেকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।দীর্ঘ একবছর যাবদ তার ছেলে এখানে থেকে পড়াশুনা করছিল।আশ্রম কর্তৃপক্ষ তার ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে যাবার জন্য নির্দেশ দেওয়ায় তিনি এসেছেন।

Uttam Paul

First published: March 15, 2020, 11:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर