স্কুলের ভিতরে শিক্ষিকাদের নাচ, অসন্তুষ্ট স্কুল শিক্ষা দফতর চেয়ে পাঠাল রিপোর্ট

তবে কি এবার শাস্তির মুখে শিক্ষিকারা?

  • Last Updated :
  • Share this:

     #আলিপুরদুয়ার: স্কুলের মধ্যে শিক্ষিকাদের নাচ বিতর্ক। বারবিশা স্কুলের এই ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ স্কুল শিক্ষা দফতর ৷ ঘটনায় জেলার ডিআই-এর কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে ৷ একইসঙ্গে শিক্ষিকাদের সতর্কও করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর ৷ রিপোর্ট জমা পড়ার পরই এবিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে খবর ৷ তবে কি এবার শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন আলিপুরদুয়ারের বারবিশা স্কুলের শিক্ষিকারা ৷

    অন্যদিকে, এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বারবিশা স্কুলের শিক্ষিকারা । এই ঘটনায় শিক্ষিকাদের হাতিয়ার প্রতিবাদী ছাত্রীরা। আলিপুরদুয়ারের বারবিশা স্কুলের ঘটনায় রবিবার কার্যত শিক্ষিকাদের চাপেই রাস্তায় নামে ছাত্রীরা। অভিযোগ, মিছিলে না গেলে ছাত্রীদের নম্বর কাটা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এরমধ্যেই রবিবার স্কুল বন্ধের মধ্যেও ফের ডিজে বাজিয়ে নাচের অভিযোগ শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন মোবাইলে দ্রুত টাইপ করতে পারেন? তবে রাজ্য সরকারের এই চাকরিতে আজই করুন আবেদন

    গত বৃহস্পতিবার প্রথম সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে আলিপুরদুয়ারের বারবিশা গালর্স হাইস্কুলের শিক্ষিকাদের এই নাচের ছবি। বলিউডি গানের সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনের মধ্যেই তাঁদের নাচের ছবি নিয়ে নানা মহল থেকে আপত্তি ওঠে। প্রতিবাদে রবিবার সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে পথে নামে ছাত্রীরা। অভিযোগ, ছাত্রীদের সামনে রেখে এই প্রতিবাদ মিছিলের পিছনেও ছিল শিক্ষিকাদের একাংশের হুমকি। সংবাদমাধ্যমকে তুলোধনা করতে গিয়ে ছাত্রীদের মুখ দিয়ে বলিয়ে নেওয়া হয়, গত বৃহস্পতিবার ছাত্রীদের অনুরোধেই তাঁরা নেচেছিলেন।

    আরও পড়ুন 

    ব্যবহার করেন নাকি SBI-এর এই কার্ড? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে সুখবর

    রবিবার সকালে প্রতিবাদ মিছিলের পর ফের স্কুলের মধ্যে ডিজে এনে নাচের অভিযোগ ওঠে এই স্কুলের শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেশ কয়েকজন বহিরাগত যুবককে মেয়েদের স্কুলে ঢোকানো হয়। এমনকী, মিছিলে না গেলে ছাত্রীদের নম্বর কাটা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    গত সপ্তাহে বারবিশা স্কুলের এই ঘটনাকে শিক্ষাঙ্গনে অপসংস্কৃতি বলেই সমালোচনা করেছিলেন আলিপুরদুয়ারের ডিআই তপনকুমার সিনহা। এদিন তিনি জানিয়েছেন, রবিবারের ঘটনা নিয়ে তাঁর কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গুটিকয়েক শিক্ষিকাদের জেদের জন্যই পর্ষদের গুডবুকে থাকা আলিপুরদুয়ারের এই স্কুলের মুখ পুড়ল।

    First published:

    Tags: Alipurduar School teachers dance, Barbisha school teacher dance controversy, School Education Department, School teachers dance