বাগডোগরায় কমল যাত্রীসংখ্যা

যাত্রী সংখ্যা কমল বাগডোগরা বিমানবন্দরের। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষের তুলনায় প্রায় ২ লক্ষ যাত্রী কমল। যদিও গত এক বছরে বাগডোগরায় বেড়েছে বিমান চলাচলের সংখ্যা। এই অবস্থায় যাত্রী কমা পর্যটন শিল্পের প্রতি ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, ইন্সট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস চালু হয়ে গেলে সমস্যা মিটবে।

যাত্রী সংখ্যা কমল বাগডোগরা বিমানবন্দরের। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষের তুলনায় প্রায় ২ লক্ষ যাত্রী কমল। যদিও গত এক বছরে বাগডোগরায় বেড়েছে বিমান চলাচলের সংখ্যা। এই অবস্থায় যাত্রী কমা পর্যটন শিল্পের প্রতি ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, ইন্সট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস চালু হয়ে গেলে সমস্যা মিটবে।

যাত্রী সংখ্যা কমল বাগডোগরা বিমানবন্দরের। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষের তুলনায় প্রায় ২ লক্ষ যাত্রী কমল। যদিও গত এক বছরে বাগডোগরায় বেড়েছে বিমান চলাচলের সংখ্যা। এই অবস্থায় যাত্রী কমা পর্যটন শিল্পের প্রতি ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, ইন্সট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস চালু হয়ে গেলে সমস্যা মিটবে।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #শিলিগুড়ি: যাত্রী সংখ্যা কমল বাগডোগরা বিমানবন্দরের। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষের তুলনায় প্রায় ২ লক্ষ যাত্রী কমল। যদিও গত এক বছরে বাগডোগরায় বেড়েছে বিমান চলাচলের সংখ্যা। এই অবস্থায় যাত্রী কমা পর্যটন শিল্পের প্রতি ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, ইন্সট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস চালু হয়ে গেলে সমস্যা মিটবে।

    উত্তরবঙ্গে পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য বাগডোগরা বিমানবন্দরে রাতে পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেয় রাজ্য সরকার। সেনা বাহিনী, এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ও উড়ান সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা। তারপরেই বাগডোগরা থেকে রাতের বিমান পরিষেবা চালু করা হয়। বেসরকারি বিমান সংস্থা স্পাইসজেট রাতে বিমান চলাচল শুরু করে। বেশিদিন অবশ্য সেই পরিষেবা স্থায়ী হয়নি। কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার যাত্রী মিলছে না বলে রাতের বিমান বন্ধ করে দেয় স্পাইসজেট। বাগডোগরার যাত্রী কমার বিষয়টি তখনই নজরে আসে। বিমানবন্দরগুলির লাভ-ক্ষতি খতিয়ে দেখার জন্য সমীক্ষা করে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। সেই সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে ২০১৫-১৬ আর্খিক বর্ষে কমল বাগডোগরায় যাত্রী সংখ্যা।


    এক বছরের মধ্যে প্রায় ২ লক্ষ যাত্রী কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে চলতি বছরে কমেছে বিমান চলাচলের সংখ্যা। যদিও ভিস্তারার মতো সংস্থা উড়ান চালু করেছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে। এক বছরের ব্যবধানে যাত্রী সংখ্যা ও বিমান সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে, নেপাল ও উত্তরবঙ্গে ভূমিকম্প। নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমান্যতা কমে যাওয়ায় প্রচুর বিমান বাতিল করতে হয়েছে।

     
    First published: