উত্তরবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিলিগুড়ি শহরে বেহাল রাস্তা, ক্ষোভ বাড়ছে, সংস্কার নিয়ে চলছে রাজনৈতিক তরজা!

শিলিগুড়ি শহরে বেহাল রাস্তা, ক্ষোভ বাড়ছে, সংস্কার নিয়ে চলছে রাজনৈতিক তরজা!

শক্তিগড় থেকে চম্পাসারী, ইস্কন মন্দির রোড থেকে মহাকালপল্লি সর্বত্রই রাস্তার হাল নিয়ে ক্ষুব্ধ শহরবাসী।

  • Share this:

#‌শিলিগুড়ি:‌ শিলিগুড়ির বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তার বেহাল দশা। কোথাও উড়ে গিয়েছে পিচের প্রলেপ। কোথাও তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। আবার কোথাও খানাখন্দে ভরা রাস্তা। দূর্ভোগ বাড়ছে শহরবাসীর। পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডের রাস্তার অবস্থা তথৈবচ! চলতে ফিরতে ঝাঁকুনিই সম্বল শহরবাসীর। ভারী বর্ষায় রাস্তার কঙ্কাল বেরিয়ে এসছে। শহরের রাস্তায় বের হতে হলে হেলতে দুলতে ফিরতে হয়। যা যথেষ্টই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শক্তিগড় থেকে চম্পাসারী, ইস্কন মন্দির রোড থেকে মহাকালপল্লি সর্বত্রই রাস্তার হাল নিয়ে ক্ষুব্ধ শহরবাসী। ভাঙাচোরা রাস্তার জন্যে প্রায় প্রতিদিনই মোটর বাইক, স্কুটি দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে। বাড়ছে দূর্ঘটনার সংখ্যা। সামনেই বাঙালির সেরা পার্বন দূর্গোৎসব। তার আগে সংস্কার হবে কি পুরসভার রাস্তা?‌ বেহাল রাস্তা নিয়ে সরব শহরবাসীও। স্থানীয় বাসিন্দা সীমান্তিনী মিশ্রের কথায়, বাড়ি থেকে বেরোলেই বেহাল রাস্তা দিয়ে চলতে হচ্ছে। একে বেশী সময় লাগছে, অন্যদিকে চলাফেরাও ঝুঁকির হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এনিয়ে শাসক এবং বিরোধীর মধ্যে শুরু হয়েছে তরজা। তৃণমূলের ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর রঞ্জন সরকারের দাবী, যেখানে রাজ্যে পথশ্রী প্রকল্পের মধ্য দিয়ে কয়েক হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরী হচ্ছে। সেখানে শহর শিলিগুড়িতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তার এই হাল। পুরসভা সব জেনেবুুুুঝেও উদাসীন। অন্যদিকে পুরসভার প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য, পথশ্রী চালু হয়েছে। অথচ রাজ্যজুড়ে রাস্তার হতশ্রী অবস্থা। পুরসভাকে নতুন প্রকল্প নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। সম্প্রতি রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব তাঁর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত পুরসভার সংযোজিত ওয়ার্ড পরিদর্শনে গিয়ে বেহাল রাস্তা দেখে ক্ষোভ উগরে দেন। সরাসরি ঠিকাদারী সংস্থার প্রতিনিধিদের বলেন, "আমি আপনাদের কাছ থেকে এক কাপ চাও খাই না। অথচ আপনাদের জন্যে আমার কাছে অভিযোগ আসছে।" লকডাউনের আগে যে রাস্তা তৈরী হওয়ার কথা, আজও তা হয়নি। এসজেডিএ'র পদস্থ ইঞ্জিনিয়রদের বলেন, এইসব ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে একটি টাকাও দেওয়া হবে না। প্রচণ্ড বিরক্ত মন্ত্রী। তাহলে কি পুজোয় ঝাঁ চকচকে রাস্তা দিয়ে ঘুরতে পারবে শহরবাসী? নাকি সেই হেলতে দুলতে যেতে হবে পুজো মণ্ডপে? এই প্রশ্নই ঘুরছে শহরবাসীর মুখে।

Partha Sarkar

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 15, 2020, 8:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर