দলত্যাগী শঙ্করকে ভয়ঙ্কর জীব বলে আক্রমণ অশোকের, শঙ্কর উবাচ- গুরুজন

দলত্যাগী শঙ্করকে ভয়ঙ্কর জীব বলে আক্রমণ অশোকের, শঙ্কর উবাচ- গুরুজন

কৈলাস বিজয়বর্গীয়-রাজু বিস্তাদের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নিচ্ছেন শঙ্কর ঘোষ।

কালই রাজ্যের বাকি আসনগুলোতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে বিজেপি।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: একুশের কুরুক্ষেত্রের লড়াইয়ে কি গুরু-শিষ্যের লড়াই শিলিগুড়িতে? শহরজুড়েই চলছে জোর চর্চা। ধোঁয়াশা যে টুকু যা আছে তা পরিষ্কার হবে আগামীকাল রবিবারে। কালই রাজ্যের বাকি আসনগুলোতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে বিজেপি।

গতকালই দীর্ঘ ৩০ বছরের বাম ঘরানা ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়েছেন শিলিগুড়ির দাপুটে বাম যুব নেতা শঙ্কর ঘোষ। তারপর থেকেই শহরে আলোচনা শঙ্কর কি গেরুয়ার প্রার্থী? শিলিগুড়ি না ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে? বাম এবং তৃণমূল শিবির গুরুত্ব না দিলেও রাজনৈতিক মহলে এই মূহূর্তে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে শঙ্কর ঘোষকে নিয়ে। "ঘরের শত্রু বিভীষণ নয়, ভয়ঙ্কর জীব," আজ সকালে শিলিগুড়ির ২৯ নং ওয়ার্ডে প্রচারে বেড়িয়ে একদা ছায়াসঙ্গী শঙ্কর ঘোষকে এই ভাষাতেই বিঁধলেন শিলিগুড়ির সিপিএম প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য। "ওর সম্পর্কে যতটা কম বলা যায় ততই ভালো। ওকে দেখে কষ্ট হয়। এই ধরনের মানুষ যত কম দেখা যাবে, ততই দেশের মঙ্গল, শিলিগুড়ির মঙ্গল," বললেন অশোক ভট্টাচার্য।

আর ভোটে দাঁড়ালে যে ফ্যাক্টর নয়, তাও বোঝালেন তিনি। অশোকবাবুর , গত ৬ মাস ধরে ও দলে থেকেও অন্য দলে পা বাড়িয়েছিল। এটা দেরিতে হলেও বুঝতে পেরেছি। আগে বোঝা উচিৎ ছিল। অন্যদিকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শঙ্কর ঘোষ অবশ্য পাল্টা আক্রমণ করেননি।

তিনি বলেন, "উনি আমার গুরুজন। গুরুজনেরা যে বিশেষণেই আমায় বিশেষিত করুন, শুনতে একটু কষ্ট হলেও কোনো অবস্থাতেই তাদের বিপরীতে কোনো কথা বলবো না। ওনার থেকে অনেক কিছুই শিখেছি। যা আগামীদিনে আমার কাজে লাগবে।"

পাশাপাশি তিনি এও বলেন, পদত্যাগ পত্র দেওয়ার দিন পর্যন্ত পুরনো দলের হয়েই কাজ করে এসছি। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই দলে আটকে রাখা হয়েছিল। কোনো প্রশ্ন তুললেই থামিয়ে দেওয়া হত। আর তাই দল ছাড়তে হল। প্রার্থীপদ পাওয়া নিয়ে মুখে কুলুপ শঙ্করের। সবমিলিয়ে যুব নেতার লাল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান নিয়ে জোর চর্চা চলছে শহর ও লাগোয়া এলাকায়।

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর