জলের তোড়ে ভেঙ্গে গেল মহারাজাহাট এলাকার নির্মিয়মান সেতুর বিকল্প রাস্তা

শুক্রবার দুপুরে জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল রায়গঞ্জ ব্লকের হারাজাহাট এলাকায় কাঞ্চন নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎই ভেসে যায় নির্মিয়মান সেতুর বিকল্প রাস্তা।

শুক্রবার দুপুরে জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল রায়গঞ্জ ব্লকের হারাজাহাট এলাকায় কাঞ্চন নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎই ভেসে যায় নির্মিয়মান সেতুর বিকল্প রাস্তা।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজাহাট এলাকার কাঞ্চন নদীর উপর নির্মিয়মান সেতুর বিকল্প রাস্তা জলের তোড়ে  ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন এলাকার মানুষ। চলাচলের জন্য প্রশাসনের কাছে বিকল্প ব্যবস্থার দাবি করেছেন গ্রামবাসিরা।স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়েছেন পঞ্চায়েত থেকে একটি নৌকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।পাশাপাশি জল না নামা পর্যন্ত বাঁশোর সাঁকো তৈরী করে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

শুক্রবার  দুপুরে জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল রায়গঞ্জ ব্লকের হারাজাহাট এলাকায় কাঞ্চন নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎই ভেসে যায় নির্মিয়মান সেতুর বিকল্প রাস্তা।  ফলে রায়গঞ্জ শহরের সঙ্গে প্রায় ১৫ কিলোমিটার মধ্যে কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ।

স্থানীয় বাসিন্দা কৌলাশ সাহা জানিয়েছেন, জলের তোড়ে বিকল্প রাস্তা  ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে গ্রামবাসীরা চরম সমস্যায় পরে গিয়েছে। এক বছরের মধ্যে এই ব্রীজটি হওয়া কথা ছিল। কিন্তু গতকালের জলের তোড়ে হঠাৎই বিকল্প রাস্তাটি ভেঙ্গে যায়। এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা একে বারে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই সেতু উপর বহু মানুষ নির্ভরশীল। এই রাস্তা  দিয়েই রায়গঞ্জে কাজে যেতে হয়। এখন কেউ যেতে পাচ্ছে না। কোন গ্রামবাসী অসুস্থ হলে তাকে এখন ২৬ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হবে। এখনও কোন প্রশাসনের লোককে দেখা যায়নি। চরম সমস্যায় মধ্যে পরে আছি।

ছোটন চৌধুরী নামে আরেক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, এখনও কোন প্রশাসনের লোকজনের দেখা মেলেনি। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে একটি নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল কিন্তু সেই নৌকাটি এখনও নামানো হয় নি। ফলে এখন যদি কেউ অসুস্থ হয় তাহলে রায়গঞ্জ হাসপাতালে যেতে হলে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হবে।  চরম সমস্যায় পরতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের। প্রশাসনের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হবে। অপরদিকে রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অমল সরকার জানিয়েছেন,মানুষের চলাচলের জন্য একটি নৌকা দেওয়া হবে।এছাড়াও পঞ্চায়েতের তরফ থেকে দ্রুত সেখানে বাঁশের সাঁকো বানানো হবে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: