ছেলের বদলে মেয়ে দেওয়ার দাবি! সদ্যোজাত বদলের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা মালদায়

ছেলের বদলে মেয়ে দেওয়ার দাবি! সদ্যোজাত বদলের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা মালদায়

মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও বাচ্চা বদল হয় কীভাবে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হন তাঁরা।

মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও বাচ্চা বদল হয় কীভাবে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হন তাঁরা।

  • Share this:

#মালদহ: সদ্যোজাত শিশু বদলের অভিযোগ মালদা মেডিক্যাল  কলেজ হাসপাতালে। মাতৃমা বিভাগে উত্তেজনা ছড়ায় শুক্রবার রাতে। শনিবার সকাল থেকেও হাসপাতাল চত্বরে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান শিশুর পরিবারের লোকজন।  হাসপাতাল সূত্রে খবর, মালদহের কালিয়াচক থানার জালালপুরের বাসিন্দা রবি চৌধুরীর স্ত্রী চুমকি চৌধুরী শুক্রবার বিকেলে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাতৃমা বিভাগে ভর্তি হন। পরিবারের দাবি, সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ তাঁর পুত্র সন্তান জন্মায় বলে জানানো হয়। মা ও শিশু সুরক্ষা কার্ডেও লেখা রয়েছে পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা। কিন্তু, রাত ন'টা নাগাদ পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়, পুত্র সন্তান নয়, শিশুকন্যার জন্ম হয়েছে। এরপর বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকেরা। কন্যা সন্তান তাঁদের নয় বলে পাল্টা দাবি করে তা নিতে অস্বীকার করে পরিবার। এ নিয়ে চাপানউতোর তৈরি হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যক্ষ পূর্ণঞ্জয় সাহা। বিতর্ক দেখা দেওয়ায় আপাতত ওই সদস্যজাত শিশুটিকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাতৃমা বিভাগে চিকিৎসার জন্য রাখা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে বিশেষজ্ঞ টিম এসে পরীক্ষা করে তারপরে শিশুটিকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। রাতের পর সকাল থেকে ফের মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মাতৃমা বিভাগের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন শিশুর পরিবারের লোকেরা।

মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে  নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও বাচ্চা বদল হয় কীভাবে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হন তাঁরা। পাশাপাশি,  হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। ঘটনা সঠিক তদন্ত করে পুত্রসন্তান ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন তাঁরা ।  মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগটি অন্ত্যন্ত গুরত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে । কোথাও কোনও ভুল বোঝাবুঝি না থাকে, তাঁর উদ্যোগ নেওয়া হবে ।

Published by:Pooja Basu
First published: