Home /News /north-bengal /
আমরা-ওরা নেই, অসহায়দের মুখে খাওয়ার তুলে দিতে এক হয়ে গেল ডান-বাম

আমরা-ওরা নেই, অসহায়দের মুখে খাওয়ার তুলে দিতে এক হয়ে গেল ডান-বাম

যে রাজ্যগুলিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে কুড়ি দিনের কম সময় লাগছে, সেগুলি হলো দিল্লি (৮.৫ দিন), কর্ণাটক (৯.২ দিন), তেলেঙ্গানা (৯.৪ দিন), অন্ধ্রপ্রদেশ (১০.৬ দিন), জম্মু কাশ্মীর (১১.৫ দিন), পঞ্জাব (১৩.১ দিন), ছত্রিশগড় (১৩.৩ দিন), তামিলনাড়ু (১৪ দিন), বিহার (১৬.৪ দিন)৷ PHOTO- FILE

যে রাজ্যগুলিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে কুড়ি দিনের কম সময় লাগছে, সেগুলি হলো দিল্লি (৮.৫ দিন), কর্ণাটক (৯.২ দিন), তেলেঙ্গানা (৯.৪ দিন), অন্ধ্রপ্রদেশ (১০.৬ দিন), জম্মু কাশ্মীর (১১.৫ দিন), পঞ্জাব (১৩.১ দিন), ছত্রিশগড় (১৩.৩ দিন), তামিলনাড়ু (১৪ দিন), বিহার (১৬.৪ দিন)৷ PHOTO- FILE

  • Share this:

Sebak DebSarma

#মালদহ: রাজনৈতিক রঙ মুছে লকডাউনে অসহায় মানুষদের মুখে খাওয়ার তুলে দিতে জোট বাঁধলেন মালদহের বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম নেতারা। 'অনুভব' নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে দৈনিক মালদহের গ্রামগঞ্জে রান্না করা খাওয়ার বিলি করছেন তাঁরা। ইংরেজবাজার শহরের পূর্ব দেশবন্ধু পাড়ায় একসঙ্গে বসে রান্নার তদারকিও করছেন তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএমের নেতারা। ইংরেজবাজার শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব দেশবন্ধু পাড়া এলাকায় বসবাস করেন বিজেপি নেতা মানবেন্দ্র চক্রবতী। তাঁর পাশেই বসবাস করেন তৃণমূল নেতা কৃষাণ আগরওয়াল, সিপিএম কর্মী শশঙ্ক নাগ। ‘অনুভব’ নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গঠন করেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী, স্কুল শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মীদের মতো এলাকার বেশকিছু উৎসাহী মানুষ।

দৈনিক এক কুইন্টাল করে চালের রান্নার ব্যবস্থা করেছেন অনুভবের সদস্যরা। সকাল থেকেই চলছে রাস্তার ধারে রান্না। এলাকার মহিলারা সেই রান্নার কাজে হাত লাগাচ্ছেন। তাঁদের তৈরি চাল, ডাল, আনাজ, সোয়াবিন দিয়ে কোনদিন খিচুরি, কোনদিন আবার ভাত-ডাল রান্না করে খাওয়ার বিলি করা হচ্ছে। সেই খাওয়ার নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন ইংরেজবাজারের সাগরদিঘি, কাজিগ্রামের মতো প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে। লকডাউন যতদিন পর্যন্ত চলবে, ততদিন পর্যন্ত খাওয়ার বিলি করা হবে বলে জানিয়েছেন অনুভবের সদস্যেরা। তাঁদের দাবি, শহর এলাকায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খাওয়ার পৌঁছানোর কাজ শুরু করেছে। তবে গ্রামগঞ্জে সেই ভাবে ত্রান পৌঁছাচ্ছে না। তাই গ্রামীণ এলাকায় খাওয়ার বিলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সারাবছর রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মতাদর্শগত যুক্তিতর্ক চলে মানবেন্দ্র, কৃষণ আগরওয়ালদের। তবে এখন সকলে একসঙ্গে সামিল হয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে খাওয়ার পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তাঁরা।

Published by:Simli Raha
First published:

Tags: Lockdown, Maldah

পরবর্তী খবর