• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • AIRPORTS AUTHORITY OF INDIA HAS DECIDED NOT TO RENEW THE LICENCE FOR THE COOCH BEHAR AIRPORT AC

ঘোর অনিশ্চিয়তায় কোচবিহার বিমানবন্দরের ভবিষ্যৎ, হচ্ছে না লাইসেন্স নবীকরণ

File Photo

Airports Authority of India has decided not to renew the licence for the Cooch Behar airport

  • Share this:

#কোচবিহার: ডিজিসিএ লাইসেন্স নবীকরণ না করায় ঘোর অনিশ্চিয়তায় কোচবিহার বিমানবন্দরের ভবিষ্যৎ। ডিজিসিএ কর্তাদের বক্তব্য, ফি বছর লাইসেন্স নবীকরণ করেও কোনও লাভ হচ্ছে না। গুটিকয়েক ভিভিআইপি কপ্টার বা ছোট বিমান এবং অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া আর কিছুই ওঠানামা করে না বছর নব্বইয়ের এই বিমানবন্দরে। কাজেই আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হচ্ছে এই বিমানবন্দরে। সে কারণেই এই বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিজিসিএ।

এই মুহূর্তে সেখান থেকে কোনও বিমান ওঠানামা করে না। অবরে সবরে কোনও একটি বিশেষ বিমান ওঠানামর জন্য ব্যবহার করে কোচবিহার। সম্প্রতি সপ্তাহ দুয়েক আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিয়ে হেলিকপ্টার ওঠানামা করে সেখানে। মাস খানেক আগে অসুস্থ এক ব্যক্তিকে সেখান থেকে ছোট বিমানে উড়িয়ে আনা হয় কলকাতায়। প্রতিদিন সকালে দুই ঘণ্টার জন্য এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল খুলে রাখা হয়। ব্যাস ওইটুকুই।

ডিজিসিএ সূত্রে খবর, ১৯৯০ সালের পর থেকেই উত্তরবঙ্গের এই বিমানবন্দর তার গুরুত্ব হারাতে শুরু করে। এর পরে নিয়মিত বিমানবন্দর হিসেবে চালু রাখতে হলে আয়তনে আরও বাড়াতে হত বিমানবন্দরকে। কিন্তু বিমানবন্দরের আশপাশের জমি অধিগ্রহণ না করতে পারায় বড় বোয়িং বিমান ওঠানামা করার মতো আয়তনে কখনওই বাড়তে পারেনি কোচবিহার বিমানবন্দর। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার অনতিবিলম্ব পরে সেই বছরের অগস্ট মাসে নতুন করে চালু হয় কোচবিহার। নর্থ-ইস্ট শাটল নামে উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি বেসরকারি উড়ান সংস্থা কলকাতা ও গুয়াহাটির সঙ্গে যুক্ত করে কোচবিহারকে। বেশ কিছুদিন চালানোর পরে যাত্রীর অভাবে সংস্থাটি উড়ান পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। সেই প্রথম ও সেই শেষ।

ডিজিসিএ-র এক কর্তা বলেন, "সাধারণত এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স এবং ভিভিআইপি কপ্টার ছাড়া বিমানবন্দরে কিছুই ওঠানামা করে না। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন খোলা রাখতে হয় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল। এই বিপুল পরিমাণ খরচের বোঝা আর টানা সম্ভব হচ্ছে না বলেই এ বার এই বিমানবন্দর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

Published by:Ananya Chakraborty
First published: