CAA-র বিরোধীতায় ফের পাহাড় বনধের ডাক, পর্যটনের ভরা মরসুমে বনধে বিপাকে পর্যটন

CAA-র বিরোধীতায় ফের পাহাড় বনধের ডাক, পর্যটনের ভরা মরসুমে বনধে বিপাকে পর্যটন
  • Share this:

Partha Sarkar #দার্জিলিং: এন আর সি এবং সি এ এ-র বিরোধীতায় ফের পাহাড়ে বনধের রাজনীতি শুরু হল। আড়াই বছর পর ফের পাহাড়ে বনধ। বিনয়পন্থী মোর্চার যুব সংগঠনের ডাকে আগামী রবিবার পাহাড়ে ২৪ ঘন্টার বনধ। দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলা জুড়ে বনধ ডাকা হয়েছে। এর আগে গোর্খাল্যাণ্ড ইস্যুতে বিমল গুরুংয়ের ডাকা টানা বনধ হয়েছে ২০১৭-র জুলাইতে। এবারে সি এ এ নিয়ে প্রথম দিন থেকেই পাহাড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুই জেলার জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে ধর্ণায় বসে বিনয়পন্থী মোর্চা এবং তৃণমূলের পার্বত্য শাখা। পাহাড় জুড়ে মহামিছিল হয়েছে বিলের বিরোধিতা করে। সোমবার থেকে টানা তিন দিন কেন্দ্রীয় সরকারের দপ্তরে ঘেরাও শুরু হয়েছে। রেল, ডাকঘর, জি এস টি-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারী দপ্তরে ঘেরাও চলে।

1280_IMG-20191223-WA0035

দার্জিলিং, কার্শিয়ং,কালিম্পং, মিরিকে চলে ঘেরাও কর্মসূচী। এরই মাঝে সোমবার পাহাড় বনধের ডাক দেয় যুব মোর্চা। তাদের দাবী, এই দুই নয়া বিল পাহাড়বাসীর কাছে সুরক্ষিত নয়। অসমে প্রায় এক লাখ গোর্খা এন আর সি'র শিকার হয়েছে। পাহাড়ে লাগু হলে গোর্খারা অসুরক্ষিত হয়ে পড়বে। তাই তা মানা হবে না। যুব সংগঠনের মুখপাত্র অনীত খাতি জানান, নয়া বিলে অসমের পর বাংলাতেও গোর্খারা অসুরক্ষিত হয়ে পড়বে। কোনোভাবেই তা পাহাড়বাসী মানবে না। ইতিমধ্যেই পাহাড়বাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। ক্ষমতায় এসে বিনয় তামাং ঘোষণা করেছিলেন বনধের রাজনীতি থেকে দূরে আসবে মোর্চা। পাহাড়ে আর বনধ হবে না। কিন্তু সেই ঘোষণা ধাক্কা খেল সি এ এ ইস্যুতে।

1280_IMG-20191223-WA0034

একে বড়দিন আর নতুন ইংরেজি বর্ষকে বরণের ভরা পর্যটন মরসুম। এই সময়ে বনধে পর্যটন ব্যবসা মার খাবে। পাহাড়ের অধিকাংশ হোটেল, কটেজ, হোম স্টে বুকিং হয়ে আছে। মোর্চার আচমকা বনধের ঘোষণায় বিপাকে পর্যটকেরা। এই মূহূর্তে পাহাড়ে প্রচুর পর্যটক রয়েছে। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত পুরো বুকিং হয়ে আছে। তাই বনধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুক মোর্চা। দাবী হিমালয়ান হসপিটালিটি এণ্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্কের। সংগঠনের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানান, বনধ প্রত্যাহার করলে ভাল হয়। নইলে অন্তত পর্যটন শিল্পকে যেন বনধের আওতার বাইরে রাখা হয়। মোর্চার ডাকা বনধ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, এটা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিষয়। অন্যদিকে দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, পাহাড়ের গোর্খাদের ওপর নয়া বিলের কোনো প্রভাব পড়বে না।

First published: December 23, 2019, 11:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर