উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

উদ্বোধনের পর বছর ঘুরেছে, বাতিস্তম্ভ থাকলেও এখনও বিদ্যুৎহীন উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম 'ভূতনি সেতু'

উদ্বোধনের পর বছর ঘুরেছে, বাতিস্তম্ভ থাকলেও এখনও বিদ্যুৎহীন উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম 'ভূতনি সেতু'

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর কেটে গিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময়। তবু এখনও আলোহীন অবস্থায় উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম মালদহের ‘ভূতনি সেতু’। বাতিস্তম্ভ বসেছে, নতুন আলোও লাগানো হয়েছে, কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি।

  • Share this:

#মালদহ: মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর কেটে গিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময়। তবু এখনও আলোহীন অবস্থায় উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম মালদহের ‘ভূতনি সেতু’। বাতিস্তম্ভ বসেছে, নতুন আলোও লাগানো হয়েছে, কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। সন্ধ্যা হলেই গাঢ অন্ধকারে ডুবছে ব্রীজ। শীতের কুয়াশা আর আলোহীন হওয়ায় সন্ধার পর সেতুতে যাতায়াত কার্যত বন্ধ। সমস্যায় লক্ষাধিক মানুষ।

রাজ্যে নতুন সরকারের আমলে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে মালদহের মুলভূখণ্ডের সঙ্গে বৃহৎ দ্বীপ ভূতনিকে যুক্ত করতে সেতু তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফুলহার নদীর ওপর  তৈরি হয় এই ভূতনি সেতু। যার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর। উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ এই সেতুর দৈর্ঘ্য ১৭৯০ মিটার। সেতু তৈরিতে খরচ হয় ১৩২ কোটি টাকা। এই সেতুর মাধ্যমে মালদহের মানিকচকের মথুরাপুরের সঙ্গে ভূতনি চরের সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। ভূতনি চরে বসবাস করেন প্রায় এক লক্ষ ২৫ হাজার মানুষ। ভূতনি চরে রয়েছে তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত। উত্তর চণ্ডীপুর, দক্ষিন  চণ্ডীপুর ও হিরানন্দপুর। ভূতনি সেতু তৈরির ফলে উপকৃত হন মালদহের মানিকচক ও ভূতনির প্রায় তিন লক্ষ মানুষ। কিন্তু, সেতু চালুর হওয়ার এক বছর কেটে গেলেও এখনো আলোর ব্যবস্থা হয়নি। ফলে দিনে চলাচল হলেও সন্ধ্যার পর সেতু ব্যবহারে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় পৌনে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু হেঁটে পার হতে সময় লাগে প্রায় আধ ঘন্টা। রাতের অন্ধকারে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ। আবার শীতের মরশুমে ঘন কুয়াশায় গাড়ি চলাচলও কার্যত বন্ধ। ফলে রাতে সেতুর সুবিধে থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, সেতুতে আলো জ্বললে বিদ্যুৎ বিল কে মেটাবে তা নিয়ে জেলা পরিষদ  আর মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতি সমস্যায় পড়েছে। আর এতেই থমকে গিয়েছে সেতুতে বিদ্যুৎ সংযোগ। ভূতনি সেতুতে বিদ্যুৎ সংযোগ না হওয়া নিয়ে একযোগে সরব হয়েছে বিজেপি ও সিপিএম।

ভূতনি সেতুতে ৯৮ টি বাতিস্তম্ভ রয়েছে। বাতিস্তম্ভে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আলোও লাগানো হয়েছে। কিন্তু, চালু হয়নি বিদ্যুৎ সংযোগ। আলোর ব্যবস্থা হলে তাঁর বিল কে মেটাবে তানিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কবিতা মণ্ডলের দাবি, পঞ্চায়েত সমিতিকে সেতুর বিদ্যুৎ খরচ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু, এত টাকা বহনের মতো নিজস্ব তহবিল পঞ্চায়েত সমিতির নেই। এজন্য অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠক ডাকা হয়েছে। অন্যদিকে, মালদহজেলা পরিষধের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডল বলেন, ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে আলোর ব্যবস্থা করা হবে।

Sebak DebSarma

Published by: Shubhagata Dey
First published: December 30, 2020, 11:25 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर