ইয়াস-এর সঙ্গে লাগাতার বৃষ্টি, জোড়া দুর্যোগে বিপর্যস্ত পর্যটক শূন্য পাহাড়

দিনের বেলায় নেমে আসে অন্ধকার। ম্যাল একেবারে নির্জনতায় ভরা! বৃষ্টির জেরে ম্যালের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।

দিনের বেলায় নেমে আসে অন্ধকার। ম্যাল একেবারে নির্জনতায় ভরা! বৃষ্টির জেরে ম্যালের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।

  • Share this:

Partha Sarkar

#দার্জিলিং: ইয়াসের প্রভাব সাগর থেকে এসে পড়ল পাহাড়েও! গতকাল থেকে লাগাতার বৃষ্টির জেরে ধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকা। দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলার একাধিক জায়গায় ধস নামে। কোথাও বন্ধ হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। কোথাও মাটি ধসে ভেঙে পড়ে বাড়ি। ফলে বিপাকে পড়েন পাহাড়বাসী। শিলিগুড়ির সঙ্গে দার্জিলিংয়ের সংযোগকারী পাঙখাবাড়ির রাস্তাও বন্ধ হয়ে যায় গাছ ভেঙে পড়ায়। আবার ধস নামায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের মধ্যে সংযোগকারী রাজ্য সড়কও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বহু জায়গায় জেলা পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীরা দ্রুত পৌঁছে ধস সংস্কার করে। আবার অনেক জায়গায় বৃষ্টির জেরে ব্যহত হয়ে পড়ে ধস সরানোর কাজ। গত ২ দিনের বৃষ্টিতে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয় পশুপতি এলাকা। একাধিক জায়গায় ধস নামে। কোথাও রাস্তার ধারের গাছ উপড়ে পড়ে। আবার কোথাও পাথরের বড় চাঁই ভেঙে পড়ে বন্ধ হয়ে যায় রাস্তা।

জেলা পুলিশ কর্মীরা গাছ কেটে রাস্তা সংস্কার করে। আবার মিরিক মহকুমার প্রত্যন্ত গ্রামীন এলাকা ধসে বিদ্ধস্ত হয়েছে। বহু জায়গায় ভেঙে পড়েছে বাড়ি। গৃহহীনদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায় স্থানীয় প্রশাসন। পাহাড়জুড়ে ইয়াসের মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিল জেলা প্রশাসন। তবে তেমন বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। এমনকী হতাহতেরও খবর পাওয়া যায়নি বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। কালিম্পং পুরসভার ৩১ নং ওয়ার্ডের একটি বাড়িতে গাছ পড়ে ভেঙে যায় একাংশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুরসভার চেয়ারম্যান রবি প্রধান। দ্রুত বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেন। একেই লকডাউন। পর্যটক শূন্য পাহাড়! তারওপর ইয়াসের জেরে অনবরত বৃষ্টি। দুইয়ের প্রভাবে দিনভর পাহাড় ছিল কালো মেঘে ঢাকা। দিনের বেলায় নেমে আসে অন্ধকার। ম্যাল একেবারে নির্জনতায় ভরা! বৃষ্টির জেরে ম্যালের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। শুনশান পাহাড় আরো হয়ে ওঠে শান্ত! নেমে আসে কনকনে ঠাণ্ডা। যার জেরে কার্যত ঘরবন্দী ছিল পাহাড়বাসী। খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউই ঘর ছাড়েননি।

Published by:Simli Raha
First published: