North Bengal: বিডিওর উদ্যোগে মাথার উপর ছাদ পেলেন ইসলামপুরের আদিবাসী বৃদ্ধা

বিজেপি বিধায়কের দেখান পথেই এবার হাঁটলেন ইসলামপুর বিডিও রজত রঞ্জন দাস।

বিজেপি বিধায়কের দেখান পথেই এবার হাঁটলেন ইসলামপুর বিডিও রজত রঞ্জন দাস।

  • Share this:

#ইসলামপুর: কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায়ের দেখানো পথে হাঁটল উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসন।  উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের পন্ডিতপোতা -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বসরা আদিবাসী পাড়ার অসহায় আদিবাসী বৃদ্ধার থাকার ঘর করে দিল ইসলামপুর ব্লক প্রশাসন। থাকার ঘর পেয়ে খুশি বৃদ্ধা চিত্তা মুর্মু।

বিধানসভা নির্বাচনে কালিয়াগঞ্জ কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী সৌমেন রায়। লকডাউনের কারণে অসহায় দুঃস্থ মানুষদের খাদ্য সামগ্রী বিলি করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি অসহায় পরিবার তার নজরে আসে। অসহায় পরবারের মাথা গোজার ঠাঁই না দেখে তড়িঘড়ি তিনি তাদের ঘর করার প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি দেওয়া মাত্রই শুরু কাজ। চারদিকে চারটি সিমেন্টের পিলার দিয়ে করগেট টিন দিয়ে ঘর এবং একটি  বারান্দা তৈরি করে দেন। খুব অল্প সময়ে এই ঘর তৈরি করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। খরচ খুব বেশি না হলেও অসহায় মানুষ এই ঘর পেয়ে বিধায়ককে ধন্যধন্য করছেন। বিধায়কের দেখান পথেই এবার হাঁটলেন ইসলামপুর বিডিও রজত রঞ্জন দাস।

জীবনের তিনকাল চলে গেছে ইসলামপুর ব্লকের পন্ডিতপোতা -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বসরা আদিবাসি পাড়ার চিত্তা মুর্মুর। বৃদ্ধার আগে পিছে আর কেউ নেই। ভিক্ষা করে দিন গুজরান করেন। পলিথিনের নীচে কোনক্রমে দিন যাপন করতেন। বয়সের কারণে এখন আর ভিক্ষা করতেও যেতে পারেন না। ফলে অনাহার এবং অর্ধাহারে তার কোনক্রমে দিন কাটছে। বিষয়টি নজরে আসে ইসলামপুরের বিডিও রজত রঞ্জন দাসের। সরকারি সমস্ত রকম সুবিধা থেকে তিনি বঞ্চিত। রাজ্য সরকার এই সমস্ত অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য দুয়ারে সরকার চালু করেছিল।  এই দুয়ারে সরকার তাঁর কাছে পৌছাতে পারেনি। ফলে আজ পর্যন্ত চিত্তা মুর্মুর কোন সরকারি ভাতা চালু হয়নি। ইসলামপুর বিডিও দ্রুত সরকারি সুবিধা পৌঁছে দিত সিমেন্টের পিলার দিয়ে ঘর তৈরি কাজ শুরু করে দেন। জীবনে শেষ প্রান্তে এসে মাথায় গোজার ঠাঁই পেয়ে খুশি আদিবাসী বৃদ্ধা।

চিত্তা মুর্মু জানান, বিডিও তাকে ঘর করে দিলেও ঘরে খাওয়ার কিছু নেই। সরকার তার বৃদ্ধ ভাতা করে দিলে জীবনের শেষ দিনগুলো কোনক্রমে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবেন। কবে বিডিও এই সামন্য কাজ টুকু করে দেন সেদিকেই তাঁকিয়ে আছেন আদিবাসী বৃদ্ধা চিত্তা মুর্মু। সরকারি লাল ফিতার বাধনে আটকে না  থেকে  দ্রুত সরকারি সুবিধা আদিবাসী বৃদ্ধার কাছে পৌঁছে যাওয়ায় খুশি বাসিন্দারা। বিডিও জানিয়েছেন, এই ভাবে এলাকার অসহায় দুঃস্থ মানুষদের সরকারি সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দিয়ে এলাকার উন্নয়ন করবেন। স্থানীয় বাসিন্দা সত্য দাস জানান, দীর্ঘদিন এই অসহায় আদিবাসি বৃদ্ধার পাশে প্রশাসন দাঁড়ালেন বিডিও। বৃদ্ধা আর ভিক্ষা করতেও যেতে পারেন না। তার বৃদ্ধাভাতা হলে তিনি কিছুটা উপকৃত হতেন।

Published by:Pooja Basu
First published: