corona virus btn
corona virus btn
Loading

মোটরবাইক নিয়ে রোজ জঞ্জাল সংগ্রহ করে, আয়ের রাস্তা বেছে নিলেন এক ব্যক্তি

মোটরবাইক নিয়ে রোজ জঞ্জাল সংগ্রহ করে, আয়ের রাস্তা বেছে নিলেন এক ব্যক্তি

চিরাচরিত প্রথায় না গিয়ে নতুন পদ্ধতিতে জঞ্জাল সংগ্রহ করে আয়ের পথ বেছে নিয়ে দৃষ্টান্ত তৈরী করেছেন রঞ্জিতবাবু।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: মোটরবাইক নিয়ে জঞ্জাল সংগ্রহ করে আয়ের রাস্তা বেছে নিয়েছে রায়গঞ্জ ব্লকের ঘুঘুডাঙ্গার বাসিন্দা রঞ্জিত গুন।চিরাচরিত প্রথায় না গিয়ে নতুন পদ্ধতিতে জঞ্জাল সংগ্রহ করে আয়ের পথ  বেছে নিয়ে দৃষ্টান্ত তৈরী করেছেন রঞ্জিতবাবু। প্রান্তিক আয়কে হাতিয়ার করে নতুন পথের সন্ধান দিয়েছেন বলে মনে করেন সমাজসেবী জয়ন্ত ভট্টাচার্য।

রায়গঞ্জ শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে ঘুঘুডাঙ্গা গ্রাম।এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। এলাকার কিছু মানুষ শ্রমিকের কাজ করে দিন গুজরান করেন। এমনই একজন গ্রামবাসি রঞ্জিত গুন।বছর তিনেক আগে রায়গঞ্জ পৌরসভার ঠিকাদারের অধীনে গ্যাং কুলির কাজ করতেন। দৈনিক ২১০ টাকা হাজিরায় কাজ করতেন।ত্রিশ দিন কাজ করেও মাসে ৪ থেকে ৫  হাজার টাকার বেশি হাতে পাননি।গ্যাং কুলির কাজের সুবাদে তিনি দেখেছেন পৌরসভার জঞ্জাল ফেলার জায়গাগুলিতে প্রচুর জিনিসপত্র থাকে যেগুলি সংগ্রহ করে কেজি দরে বিক্রি করলে মাসে ভাল টাকা আয় করা সম্ভব।সেই ভাবনা থেকেই গ্যাং কুলির কাজ ছেড়ে দিয়ে পৌরসভার ভ্যাট থেকে জঞ্জাল সংগ্রহের কাজ শুরু করেন রঞ্জিতবাবু।বাড়িতে মোটরবাইক থাকলেও সাইকেল চালিয়ে ঘুঘডাঙ্গা থেকে রায়গঞ্জে এসে জঞ্জাল সংগ্রহ করতে তার বেশ খানিকটা সময় নষ্ট হয়ে যায়।এরইমধ্যে পৌরসভার কর্মিরা বেশ কিছু এলাকার ভ্যাট থেকে জঞ্জাল  সংগ্রহ করে ফেলেন। সমস্ত ভ্যাটে নিদৃষ্ট সময়ে পৌছানো যাচ্ছে না।সমস্ত ভ্যাট থেকে জঞ্জাল সংগ্রহ করতে না পারায় আয়ের নিদৃষ্ট লক্ষ্যে তিনি পৌছাতে পারছেন না তাই মোটরবাইক নিয়ে সকাল সাতটায় ভ্যাট থেকে জঞ্জাল ( প্লাষ্টিক,প্লাষ্টিক ক্যারি ব্যাগ,প্লাষ্টিকের জলের বোতল, লোহালক্কর) সংগ্রহ করার কাজ শুরু করেন।বেলা নয়টার মধ্যেই শহরের প্রতিটি জঞ্জাল ফেলার ভ্যাট ঘুরে জঞ্জাল সংগ্রহ করে ভাংরির দোকানে নিয়ে কেজি দরে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

রঞ্জিতবাবুর দাবি দুইঘন্টা কাজ করে দিনে চার থেকে পাঁচ শ টাকা আয় করেন।মোটরবাইকের তেল বাবদ দিনে ৫০ টাকা ব্যায় হয়।দিনের বাকি সময় এলাকায় কৃষি জমিতে কাজ করেন।রঞ্জিতবাবুর এই ধরনের কাজ করে নতুন পথে সন্ধান দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবি জয়ন্ত ভট্টাচার্য।তিনি জানিয়েছেন,ভ্যাটে  নোংরা আবর্জনা ঘাটার জন্য সে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন।এই আবর্জনা থেকে  আয় করা সম্ভব তা তিনি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন।যে আয়ের কথা রঞ্জিতবাবু বলছেন সেই আয় একটি পরিবারকে খানিকটা স্বস্তি দেবে।

UTTAM PAUL 

Published by: Piya Banerjee
First published: March 12, 2020, 11:27 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर