হোম /খবর /উত্তরবঙ্গ /
খুবলে নিয়েছে চোখ, কেটে নেওয়া হয়েছে কানও! রক্তমাখা দেহ ঘিরে আতঙ্ক

খুবলে নিয়েছে চোখ, কেটে নেওয়া হয়েছে কানও! রক্তমাখা দেহ ঘিরে আতঙ্ক

দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ।

  • Share this:

#মালদহ: তিন দিন ধরে খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে মিলল ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত মৃতদেহ। অভিযোগ, কেটে নেওয়া হয়েছে মৃতের কান। খুবলে নেওয়া হয়েছে চোখ। এছাড়াও শরীরের একাধিক অংশে  মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার আদিবাসী এক পরিযায়ী শ্রমিকের রক্তাক্ত মৃতদেহ।

ওই মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদহের চাঁচোল গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঞ্জীব এলাকায়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বাবলু হেমব্রম। বাড়ি সাঞ্জীব গ্রামের দারগা পুকুর পাড়ায়। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক বাবুল প্রায় দুইমাস আগে বাড়ি ফেরেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার বাড়ি থেকে খাওয়া দাওয়া করে বেরিয়েছিলেন বাবলু হেমব্রম। তারপর আর বাড়িতে ফেরেননি। তাঁর সন্ধানে নানা জায়গায় খোঁজ চালাচ্ছিলেন স্ত্রী রেখা হাঁসদা। বুধবার সকালে বাড়ির কাছেই ধান ক্ষেতে গ্রামবাসীরা তাঁর রক্তমাখা দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

চাষিরা ধান কাটতে গিয়ে দেখেন ধান ক্ষেতে মৃতদেহটি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় চাঁচোল থানায়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। পরিবারের দাবি, মৃত ব্যক্তির শরীরে রয়েছে একাধিক ক্ষত চিহ্ন। কেটে নেওয়া হয়েছে কান।

আরও পড়ুন, বাংলাদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতীর দেহ মিলল কলকাতায়, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

মৃতের স্ত্রী রেখা হাঁসদা বলেন, "গত রবিবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিল স্বামী। গ্রামবাসীর মুখ থেকে জানতে পারি কয়েকশো মিটার দূরে স্বামীর মৃতদেহ রয়েছে ধান ক্ষেতে। আমার ধারণা কেউ বা কারা তাঁকে খুন করে থাকতে পারে।"

আরও পড়ুন, অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে একী কাণ্ড! দরজা খুলতেই চমকে উঠল কলকাতা পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, বাইরে থেকে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট নয়। ধান ক্ষেতে পড়ে থাকা দেহের চোখ বা কান শেয়ালে বা ইদুরে ক্ষত বিক্ষত করতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। খুন না আত্মহত্যা তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Published by:Suvam Mukherjee
First published:

Tags: Crime, Malda, Migrant Worker, Police