দার্জিলিংয়ে আচমকা ধস, মৃত ৩, বরাত জোরে রক্ষা শিশুর

দার্জিলিংয়ে আচমকা ধস, মৃত ৩, বরাত জোরে রক্ষা শিশুর
ধসে ভাঙল দার্জিলিংয়ের এই বাড়ি

সকালে ঘুম ভাঙতেই স্থানীয়রা ছুটে আসেন। তারাই উদ্ধার কাজে হাত লাগান। কিন্তু বাঁচানো যায়নি কাউকেই। খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।

  • Share this:

আচমকা ধ্বসে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাড়ি৷ সেই ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়েই মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন জনের। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দার্জিলিংয়ের লোধামা রিমবিকে।

শুক্রবারের এই ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে বাবা, মা ও তাঁদের পাঁচ বছরের শিশুপুত্রের। মৃতদের নাম নিমা তামাং (৩৪), চন্দ্রা তামাং (২৯) এবং নেহাল তামাং (৫)। এই ঘটনার সময়ে মামার বাড়িতে থাকায় বেঁচে গিয়েছেন তামাং দম্পতির শিশুকন্যা সন্ধ্যা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লোধামা গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন নিমা তামাং। গতকাল রাতে তাঁদের বাড়ির জলের পাইপ লাইন ফেটে যায়। রাতভর জল পড়ে তামাং পরিবারের কাঁচা ঘরে। পাঁচ বছরের শিশু পুত্রকে নিয়ে তখন ঘুমোচ্ছিলেন তামাং দম্পতি। আজ ভোরে জলের তোড়ে ধ্বসে পড়ে নিমা তামাংয়ের বাড়ি। গভীর নিদ্রায় ছিলেন তাঁরা। প্রায় ২০-২৫ ফুট নীচে ধ্বসে পড়ে বাড়ি। ঘুমের মধ্যেই চাপা পড়ে মৃত্যু হয় তিন জনের।

সকালে ঘুম ভাঙতেই স্থানীয়রা ছুটে আসেন। তারাই উদ্ধার কাজে হাত লাগান। কিন্তু বাঁচানো যায়নি কাউকেই। খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দার্জিলিং সদর হাসপাতালে৷

এই ঘটনায় শোক জ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও। মৃত পরিবারকে রাজ্য সরকার দুই লাখ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনার খবর পেয়েই লোধামা রিমবিকে ছুটে যান গোর্খাল্যাণ্ড টেরিটোরিয়াল এডমিনিস্ট্রেশনের চেয়ারম্যান অনীত থাপা।

জিটিএ মৃতদের মাথা পিছু এক লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন অনীত থাপা। শোকে কাতর এলাকার বাসিন্দা থেকে আত্মীয়রা চেয়ে আছে ছোটো শিশু কন্যা সন্ধ্যার মুখের দিকে। আর কাকে সন্ধ্যা মা, বাবা বলে ডাকবে! ছোট্ট সন্ধ্যা খুঁজছে বাবা, মা, ভাইকে!

Partha Sarkar

First published: March 14, 2020, 5:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर