corona virus btn
corona virus btn
Loading

কখনও অভুক্তদের কাছে খাবার, আবার কখনও এলাকা স্যানিটাইজড, করোনা লকডাউনের মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে সাহায্যের কাজ

কখনও অভুক্তদের কাছে খাবার, আবার কখনও এলাকা স্যানিটাইজড, করোনা লকডাউনের মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে সাহায্যের কাজ
  • Share this:

#শিলিগুড়ি: দু'মাসের বেশী সময় ধরে চলছে লকডাউন। ফের সময়সীমা বাড়বে কিনা, জানা যাবে কিছু দিনের মধ্যেই। লকডাউনের তৃতীয় পর্যায় থেকেই ধাপে ধাপে কিছু পরিষেবা চালু করেছে রাজ্য। চতুর্থ দফায় লকডাউনে আরও বেশ কিছু পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে।  তবে পুরোপুরি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে যে সময় লাগবে, তা বোঝাই যাচ্ছে। কেননা প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর সংখ্যাও। এই কঠিন সময়ে অভুক্ত, অসহায়, দরিদ্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে শিলিগুড়ির বেশ কয়েকটি সংগঠন।

লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওরা রাস্তায়। পৌঁছে যাচ্ছেন অভুক্তদের ঠিকানায়। অচেনা, অজানা অলি গলিতে। কখনও পুলিশ কর্তাদের হাত দিয়ে, আবার কখনও নিজেরাই পৌঁছে দিচ্ছেন খাবার। নিজেরাই বাজার করছেন। রাঁধছেন। প্যাকেটিং করছেন। তারপর চলে বিলি পর্ব। আবার কখনও শুকনো খাবারের প্যাকেটও তুলে দিচ্ছেন। এমনই ওক সংগঠন "শিলিগুড়ি অ্যান্ড স্মাইল সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।" সংগঠনের সভাপতি নব কুমার বসাক একজন বি এস এফ জওয়ান। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন রাজু দে, শুভ্রা সাহা, পার্থ সরকার, দেবাশীষ দেবরা। লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই দু'বেলা খাবার তুলে দিচ্ছেন ওরা। ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তা জানে ওরা। তবু দুঃস্থদের পাশে ওরা। প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জনের মুখে হাসি ফোটানোর দায়িত্ব যে ওদের।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা চালিয়ে যাবেন, জানান সংগঠনের সদস্যা শুভ্রা সাহা। শুধু অভুক্তদের খাবারই তুলে দিচ্ছেন না। সেইসঙ্গে এলাকাকে জীবাণুমুক্তও করছেন এই সংগঠন। পুরসভা, প্রশাসনও করছে। সঙ্গে ওরা নিজেরাও স্প্রেয়িং মেশিন পিঠে চাপিয়ে এলাকাকে দূষণমুক্ত করছেন। আজ এই গলি তো, কাল অন্য গলি। নর্দমা থেকে বাড়ির দেওয়াল। চলছে স্প্রেয়িংয়ের কাজ। মারণ করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যে জিততে হবে। তাই এদিক ওদিকে না তাকিয়ে নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল নব কুমার, রাজু, দেবাশীষেরা।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Elina Datta
First published: May 25, 2020, 11:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर