corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রেমে প্রত্যাখ্যান! শিক্ষকের মেয়ে-সহ গোটা পরিবারকে এলোপাথাড়ি কোপালো যুবক

প্রেমে প্রত্যাখ্যান! শিক্ষকের মেয়ে-সহ গোটা পরিবারকে এলোপাথাড়ি কোপালো যুবক
প্রতীকী ছবি

প্রেমে প্রত্যাখ্যান মেনে নিতে পারেনি। তাই ছোটবেলার শিক্ষকের সামনেই তরুণীকে এলোপাথাড়ি কোপাল কলেজ পড়ুয়া যুবক।

  • Share this:

#জলপাইগুড়ি: প্রেমে প্রত্যাখ্যান মেনে নিতে পারেনি। তাই ছোটবেলার শিক্ষকের  সামনেই তরুণীকে এলোপাথাড়ি কোপালো কলেজ পড়ুয়া যুবক। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন বাবাও। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটে জলপাইগুড়ি শহরের শিল্প সমিতি পাড়া এলাকায়।

পরিবারের আর্ত চিৎকার শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তাঁরাই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেন। বাবা ও মেয়েকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়েছেন মেয়েটির মা-ও। ধৃত যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ জলপাইগুড়ি শিল্প সমিতি পাড়ার এক শিক্ষকের বাড়িতে কলিং বেল বাজান কেউ। শিক্ষক এসে দরজা খুলতেই মাস্ক, হাতে গ্লভস পরা এক যুবক ছুরি বের করে এলোপাথাড়ি তাঁর উপর  ঝাঁপিয়ে পড়ে কোপাতে শুরু করে। বাবার চিৎকার শুনে ছুটে আসে মেয়ে। ওই যুবক তখন ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই তরুণীর উপর। এলোপাথাড়ি ছুরি দিয়ে তাঁকে কোপায়। তাঁদের বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হন তরুণীর মা-ও। এরপর এলাকার বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে যুবকে গ্রেফতার করে।

পালানোর চেষ্টা করলেও সক্ষম হয়নি ওই যুবক। প্রতিবেশীরাই তাকে ধরে ফেলেন। তাকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন তাঁরা। জখম মা-বাবা ও মেয়েকে নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। তরুণীর মা-কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও প্রাথমিক চিকিৎসার পড়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে শনিবার সকালে বাবা এবং মেয়েকেও হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট টিউশন পড়ত ওই যুবক। শিক্ষকের মেয়েকে প্রেম নিবেদন করেছিল সে। কিন্তু তরুণী কিছুতেই সেই সম্পর্কে যেতে রাজি ছিল না। ফলে বারবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সেই প্রতিশোধস্পৃহা থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে অভিযুক্ত যুবক । পাশাপাশি তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

তথ্য সূত্রঃ শান্তনু কর।

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 4, 2020, 2:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर