ঠান্ডার মধ্যে ধর্না চালিয়ে যাওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়লেন আন্দোলনরত ৪ অতিথি অধ্যাপক

ঠান্ডার মধ্যে ধর্না চালিয়ে যাওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়লেন আন্দোলনরত ৪ অতিথি অধ্যাপক

২০০৯ সাল থেকে রায়গঞ্জ কলেজে ২৪জন অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে রায়গঞ্জ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ন হয়।

২০০৯ সাল থেকে রায়গঞ্জ কলেজে ২৪জন অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে রায়গঞ্জ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ন হয়।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত অধ্যাপকদের মধ্যে চার জন আন্দোলনকারী অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তাদের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্যাক্টের আওতায় আনার দাবিতে ২১ তারিখ থেকে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিদৃষ্ট কালের জন্য ধর্নায় বসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপক সংগঠন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার জানিয়েছেন "স্যাক্ট" ( ষ্টেট এডেড কলেজ টিচার্স) বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আসে না। তাদের এই আওতায় আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে একাধিকবার উচ্চ শিক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। প্রতিনিয়ত আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রতি নজর রাখা হচ্ছে।

২০০৯ সাল থেকে  রায়গঞ্জ কলেজে ২৪জন অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন। পরবর্তীতে ২০১৫  সালে রায়গঞ্জ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ন হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ন হলেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজ্য সরকার অস্থায়ী এবং আংশিক সময়ের শিক্ষকদের জন্য "স্যাক্ট" ঘোষণা করেছেন। স্যাক্টের আওতায় অস্থায়ী শিক্ষক এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরা এলেও অতিথি অধ্যাপকদের এর আওতায় আনা হয়নি। তাদের এই আওতায় আনার দাবিতেই ২১ ডিসেম্বর থেকে অতিথি অধ্যাপক সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অনির্দিষ্ট ধর্না শুরু করেন।দিনে গরম রাতে ঠান্ডা প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায় চার আন্দোলনরত অতিথি অধ্যাপক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।অসুস্থ অধ্যাপকদের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় তরফ তাদের এই আওতায় আনতে উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি উচ্চশিক্ষা দফতর।  বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার দুর্লভ সরকার একথা জানিয়েছেন। অতিথি অধ্যাপকরা স্যাক্টের আওতায় আসে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতি সমব্যাথি। তাদের যাতে এর আওতায় আনা হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবার উচ্চশিক্ষা দপ্তরে প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন।অসুস্থ মহঃ নূর আলম জানান, প্রবল ঠান্ডার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই বমি অনুভব করেন। কিছুক্ষণ বাদেই বমি হতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকর্মীরা তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আন্দোলনরত দেবপ্রিয়া ঘোষ জানান, স্যাক্ট লাগু না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

Published by:Pooja Basu
First published: