• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • গত ২ দিনে পাহাড় ও সমতলে নতুন করে আক্রান্ত ২৫২! উধাও স্বাস্থ্য বিধি ...

গত ২ দিনে পাহাড় ও সমতলে নতুন করে আক্রান্ত ২৫২! উধাও স্বাস্থ্য বিধি ...

গ্রাফ বাড়ছে, তাতে কি এসে যায়! দিব্বি বিনা মাস্কে চলছে ঘোরাফেরা।

গ্রাফ বাড়ছে, তাতে কি এসে যায়! দিব্বি বিনা মাস্কে চলছে ঘোরাফেরা।

গ্রাফ বাড়ছে, তাতে কি এসে যায়! দিব্বি বিনা মাস্কে চলছে ঘোরাফেরা।

  • Share this:

#দার্জিলিং: দু'দিনে ২৫২ জন! হ্যাঁ, এটাই নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা! শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ড এবং দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের গ্রামীন এলাকা মিলিয়ে গত ২ দিনে গড়ে আক্রান্ত ১২৬ জন করে! যা যথেষ্টই ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তা থেকে জেলা প্রশাসনের কর্তাদেরকে। গ্রাফ আগামীদিনে আরো বাড়ার আশঙ্কা। কেননা, ন্যূনতম স্বাস্থ্য বিধি মানার বালাই নেই। ছট পুজার বাজার হল একের ঘাড়ে অন্যের নিঃশ্বাস ফেলে। কি ক্রেতা, কি বিক্রেতা পারস্পরিক দূরত্ব মানা দূর অস্ত! নাক এবং মুখও ছিল বিনা মাস্কে! শুধু বাজারঘাটেই নয়, শহরের সর্বত্রই একই ছবি।

গ্রাফ বাড়ছে, তাতে কি এসে যায়! দিব্বি বিনা মাস্কে চলছে ঘোরাফেরা। আগে যদিও বা গলায় বা থুতনিতে ঝুলতে দেখা যেত মাস্ক। এখন তারও বালাই নেই। আর কবে সচেতন হবে শহরবাসী? সরকারী এবং বেসরকারীভাবে চলছে সচেতনতার প্রচার। বিলি হচ্ছে লিফলেট। রাস্তায় নেমে সাধারন বাসিন্দাদের সচেতন করে তুলছেন কোভিড জয়ী চিকিৎসক থেকে পুরসভার প্রশাসক। আনলকে কিভাবে পথ চলতে হবে তা বলে দিচ্ছেন। তবুও হুঁশ ফিরছে না স্থানীয় বাসিন্দাদের। কেননা গত দু'দিনে শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ডেই আক্রান্তের সংখ্যা ১২৯ জন! যথেষ্টই উদ্বেগের। এই মূহূর্তে সচেতন না হলে সামনে বিপদ আসছে।

পাহাড়েও বাড়ছে আক্রান্তের গ্রাফ। গত ২ দিনে পাহাড়ী এলাকায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জন। সমতলের চার ব্লক মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি এবং ফাঁসিদেওয়াতেই ছড়াচ্ছে মারন করোনার জাল। নতুন করে আক্রান্ত ৭৩ জন। অন্যদিকে সুস্থতার হারও বেশ ভালো। জেলার তিনটি কোভিড স্পেশাল হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং হোম আইশোলেশনে থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৬৩ জন। অর্থাৎ কীনা যেখানে ২ দিনে আক্রান্ত ২৫২ জন, সেখানে কোভিড জয়ী ২৬৩ জন! যা যথেষ্টই স্বস্তিদায়ক! একটু সচেতন হলেই গ্রাফ নামতে পারে, কিন্তু তার লক্ষন দেখা যাচ্ছে না।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: