এক ফুল দো মালি! প্রেমে পড়েই খুন হলেন সিপিএম নেতা, তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্য়কর তথ্য়

দুই পুরুষের সঙ্গেই বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক মহিলার, যার মধ্য়ে একজন ছিলেন সিপিএম নেতা ও অন্যজন মহিলার প্রতিবেশী৷ এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই প্রাণ গেল নেতার, মনে করছে পুলিশ!

দুই পুরুষের সঙ্গেই বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক মহিলার, যার মধ্য়ে একজন ছিলেন সিপিএম নেতা ও অন্যজন মহিলার প্রতিবেশী৷ এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই প্রাণ গেল নেতার, মনে করছে পুলিশ!

  • Share this:

#ডালখোলা: কোনও রাজনৈতিক কারণে নয়, সিপিএম নেতা খুনের ঘটনায় ত্রিকোণ প্রেমের রসালো গল্প উঠে এল পুলিশের তদন্তে৷ ঘটনায় একমহিলা সহ দুইজনকে গ্রেফতার করল ডালখোলা থানার পুলিশ।ধৃত দুইজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বুধবার তাদের ইসলামপুর মহকুমা আদালতে পেশ করেছে ডালখোলা পুলিশ। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানার পাতনোর গ্রামে  সিপিএম নেতা রফিক আলমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে প্রতিবেশী তাহামিনা বিবি এবং শেখ জামাল নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে মৃত রফিক আলম সঙ্গে তাহামিনা বিবির বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।  একইভাবে শেখ জামালের সঙ্গে তাহামিনা বিবির বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এক ফুল দো মালি! এই বিবাদের জেরে রফিক আলমকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে।

ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ চালাতে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেবার আবেদন জানিয়েছেন।  ১৫ ফেব্রুয়ারি  ডালখোলা থানার পাতনোর শাখার সিপিএম শাখা সম্পাদক রফিক আলমের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল অভিযোগ করেছিলেন দুষ্কৃতীদের হাতে প্রচুর বেআইনি অস্ত্র মজুত থাকার কারণেই এধরনের খুনের ঘটনা ঘটছে। পুলিশকে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানানো হলেও তেমন কোন কাজ হয়নি। রফিক আলম ডালখোলা ব্লকের রানীগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য। তিনি পাতনোর গ্রামে সিপিএমের শাখা সম্পাদক। এলাকায় জনপ্রিয় মানুষ হিসেবে তাঁর পরিচিত ছিল। তাঁর মৃত্যুতে দলের ব্যপক ক্ষতি হল। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি করেছেন।

করণদিঘি বিধায়ক মনোদেব সিংহ জানিয়েছেন, যিনি খুন হয়েছেন তিনি কোন দলের সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ আধিকারিকদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে ১৪ রাত্রি আটটার নাগাদ ফোন করে দুষ্কৃতীরা রফিকবাবুকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ বাদে তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পাতনোরের পেট্রোল পাম্পের পাশে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে গ্রামবাসীরা তাঁর দেহ দেখতে পান।

Published by:Pooja Basu
First published: