উত্তর দিনাজপুর দিনাজপুর জেলায় দুটি পৃথক পৃথক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য, থানায় বিক্ষোভ

জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। তার উপর গত দু’দিন আবহাওয়া বিরূপ থাকায় রাস্তাঘাটে লোক চলাচল ছিল খুবই কম। দুষ্কৃতীরা সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে৷

জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। তার উপর গত দু’দিন আবহাওয়া বিরূপ থাকায় রাস্তাঘাটে লোক চলাচল ছিল খুবই কম। দুষ্কৃতীরা সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে৷

  • Share this:

#উত্তর দিনাজপুর: উত্তর দিনাজপুর জেলার পৃথক পৃথক দুটি চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।একটি উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার কোটগছ কালীমন্দিরে। অন্যটি রায়গঞ্জ মোহনবাটী জমিদার বাড়িতে। জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। তার উপর গত দু’দিন আবহাওয়া বিরূপ থাকায় রাস্তাঘাটে লোক চলাচল ছিল খুবই কম। দুষ্কৃতীরা সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার ঐতিহ্যবাহি কোটগছ কালীমন্দিরে তালা ভেঙে মন্দিরে সমস্ত স্বর্নলঙ্কার, নগদ টাকা চুরি করে। শনিবার সকালে  পুরোহিত মন্দিরে  পুজো দিতে এসে ঘটনাটি দেখতে পান। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।দাসপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। মন্দিরের পুরোহিত হরিপ্রসাদ ঝাঁ জানান, নগদ টাকা এবং স্বর্নলঙ্কার মিলে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতিতেই এই ঘটনা ঘটনা ঘটছে। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার এবং খোয়া যাওয়া স্বর্নালঙ্কার উদ্ধারের দাবিতে স্থানীয় মানুষ দাসপাড়া ফাঁড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান।

এদিন রায়গঞ্জ মোহনবাটীর বাসিন্দা জমিদার প্রয়াত রজত শঙ্কর রায়চৌধুরীর  বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৫০ বছরের পুরোনো পেতলের বাসনপত্র এবং রূপার লক্ষ্মী গনেশ নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। জমিদার বাড়ি সংলগ্ন একটি দোকানেও চুরি হয়েছে।সিসিটিভি ফুটেজে দুষ্কৃতীকে দেখা যাচ্ছে। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

রায়গঞ্জ মোহনবাটীর এলাকার বাসিন্দা জমিদার প্রয়াত রজত ইন্দ্র রায়চৌধুরীর বাড়ি। অধুনা বাংলাদেশ থেকে যে সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে এসেছিলেন পূর্বপুরুষেরা৷ আজও সেই দিয়ে মন্দিরে পুজো দিয়ে আসছেন।জমিদারি প্রথা অনেকদিন আগেই বিলুপ্ত হয়েছে।থেকে গিয়েছিল পুরোনো ইতিহাস।সেই ইতিহাসকে সম্বল করে তারা বেঁচেছিলেন।গতকাল রাতে এক দুষ্কৃতী বাড়ির তালা ভেঙ্গে ঢুকে মন্দিরে পুরোনো দিনের সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দেয়। শুধু জমিদার বাড়িতেই নয় বাড়ির পাশে একটি দোকানেও চুরি হয়। শনিবার সকালে জমিদারের পূর্বপুরুষের মন্দিরে এসে ঘটনাটি দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তারা রায়গঞ্জ থানায় খবর দেন।পুলিশ খবর পেয়ে জমিদার বাড়িতে পৌঁছায়।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।জমিদার বাড়ির গৃহবধূ শঙ্করী রায় চৌধুরী জানান, শাশুড়ির রেখে যাওয়া জিনিসপত্র নিয়ে তারা পূর্জা আর্চনা করছিলেন। জিনিসের দামের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস৷

Published by:Pooja Basu
First published: