Home /News /north-24-parganas /
North 24 Parganas: শস্য বিমা দিচ্ছে সরকার, নাম নথিভুক্ত করতে ভিড় জেলা কৃষি দফতরে

North 24 Parganas: শস্য বিমা দিচ্ছে সরকার, নাম নথিভুক্ত করতে ভিড় জেলা কৃষি দফতরে

জেলা [object Object]

খরা, বন্যা, অতির বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভূমিক্ষয় সহ নানাভাবে ফসলের ক্ষতি হলে সমস্যায় পড়তে হয় কৃষকদের। হতে হয় সর্বস্বান্ত, ঋণগ্রস্ত। সমস্যার সম্মুখীন হয়ে কৃষক আত্মহত্যার মতন ঘটনার নজিরও রয়েছে।

  • Share this:

    #উত্তর ২৪ পরগনা : খরা, বন্যা, অতির বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভূমিক্ষয় সহ নানাভাবে ফসলের ক্ষতি হলে সমস্যায় পড়তে হয় কৃষকদের। হতে হয় সর্বস্বান্ত, ঋণগ্রস্ত। সমস্যার সম্মুখীন হয়ে কৃষক আত্মহত্যার মতন ঘটনার নজিরও রয়েছে। তবে, বর্তমান সরকার কৃষকদের ফসল নষ্ট হয়ে গেলে তাদের আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য, ‘বাংলা শস্য বীমা যোজনা’ প্রকল্প চালু করেছে। কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রসর হচ্ছে রাজ্য। পাশাপাশি, কৃষকদের চাষের ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সমাধানেও কৃষি দফতরের তরফ থেকে করা হচ্ছে সাহায্য। কৃষি পাঠশালা থেকে ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। কৃষকদের সুবিধার জন্য নানা প্রকল্প চালু করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অন্যান্য কারণে কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে গেলে, তাদের ক্ষতিপূরণের উদ্দেশ্যেই এই বীমার প্রচলন করেছে সরকার। তাই, নিজেদের ফসল সুরক্ষিত রাখতে ও আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন থেকে বাঁচতে কৃষকরা এই বিনামূল্যের শস্য বীমা করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

    এই বীমা করতে হলে কৃষকদের কে মাত্র এক টাকার বিনিময়ে নাম নথিভুক্ত করতে হয়। বীমার প্রিমিয়ামের পুরো খরচ দেয় রাজ্য সরকার। পরবর্তীতে কোনো কৃষকের ফসল নষ্ট হলে সেই কৃষক প্রস্তাবিত বীমারাশির পুরো টাকাই পেয়ে যান। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এগ্রিকালচার ইনসিওরেন্স অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতে এআইসি অনুমোদিত এপিজে ইন্সুরেন্স ব্রোকিং সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড এর সহায়তায় ২০২২ খারিফ মৌসুমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চাষীদের জন্য শস্য বীমা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ ফের ধর্না কাণ্ড! বিয়ে করতে নারাজ প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় প্রেমিকা!

    জেলা সদর বারাসাতের কৃষি আধিকারিক এর দফতর হেলাবটতলায় হচ্ছে এই শস্য বীমায় নাম তোলার কাজ। যা চলবে ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই জেলার বহু কৃষক নাম নথিভূক্ত করেছেন শস্য বীমার জন্য। কারা আবেদন করতে পারবেন? কৃষককে অবশ্যই হতে হবে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা। নিজস্ব জমির মালিক ও ভাগচাষী সকলেই এই শস্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন।

    আরও পড়ুনঃ ট্রেনে ঝুঁকির যাত্রা পড়ুয়াদের! রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিভাবকরা

    এই স্কিম অনুসারে, আবেদনকারীরা ফসলের ক্ষতির সম্মুখীন হলে বীমা কভারেজ এর জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতির সঠিক প্রমাণ এবং জমির দলিল সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। বাংলা শষ্য বীমা যোজনাতে আবেদন করার পর, কৃষকদের আবেদন পত্রের একটা অংশ রিসিভ কপি হিসাবে ফেরত দেওয়া হয়। সেই রিসিভ কপিতেই থাকে এপ্লিকেশন আই ডি নম্বর। সেই নম্বর দিয়েই বাংলা শষ্য বীমার সরকারি ওয়েবসাইট এ আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করে নিতে পারবে কৃষকরা। সরকারি এই শস্য বীমার সুবিধা লাভ করে খুশি জেলা সহ রাজ্যের কৃষক মহল।

    Rudra Narayan Roy
    Published by:Soumabrata Ghosh
    First published:

    Tags: Barasat, North 24 Parganas

    পরবর্তী খবর