Home /News /north-24-parganas /
Latest Bangla News|| সম্প্রীতির অনন্য নজির বারাসতে, মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে হিন্দু পরিবার 

Latest Bangla News|| সম্প্রীতির অনন্য নজির বারাসতে, মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে হিন্দু পরিবার 

title=

Latest Bangla News: হিন্দুর ভিটেতেই রয়েছে মসজিদ। আর তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন হিন্দু পরিবার। শুধু তাই নয় গত দশ বছর ধরে রোজার মাসে নিয়ম নিষ্ঠা মেনে এক মাস রোজাও রাখেন বারাসত পশ্চিম ইছাপুরে বাসিন্দা পার্থসারথি বোস।

  • Share this:

    #বারাসাত: হিন্দুর ভিটেতেই রয়েছে মসজিদ। আর তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন হিন্দু পরিবার। শুধু তাই নয় গত দশ বছর ধরে রোজার মাসে নিয়ম নিষ্ঠা মেনে এক মাস রোজাও রাখেন বারাসত পশ্চিম ইছাপুরে বাসিন্দা পার্থসারথি বোস। জানা যায়, এই মসজিদ এর ইতিহাস বহু পুরনো।

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ৬৪ সালে বোস পরিবার এই জমির মালিকানা পায়। সেই সময় বোস পরিবার থাকত বাংলাদেশের আলকা গ্রাম। বাংলাশের সেই সময় যুদ্ধের পরিস্থিতি থাকার কারণে ভারতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয় এই পরিবার। ওই দেশের জমি জায়গা এই বারাসতের এই জায়গা ওয়াজুদ্দিন মোড়লের ছিল সেই ওয়াজুদ্দিন মোড়লের সঙ্গে পার্থসারথি বাবুর দাদু ঈশ্বর নিরোদকৃষ্ণ বসু জমি বদলাবদলি করেছিলেন। কারণ সেইসময় বিনিময় প্রথা চালু ছিল। সেই বিনিময় প্রথা মেনেই জমি বদল হয়ে যায়। তারপর থেকে বসু পরিবার এই বারাসত পশ্চিম ইছাপুরের বাসিন্দা হয়ে যায়। পাকাপাকি ভাবে বসু পরিবার এখানে এসে দেখতে পায় এই জমিতে একটি মসজিদের মত কিছু একটা ভাঙাচোরা অবস্থায় আছে।

    আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকে দশম অশোকনগরের অস্মি, স্বপ্ন দেখছে ডাক্তার হওয়ার

    সবকিছু খোঁজ নেওয়ার পর এই স্থানে মসজিদ গড়ার পরিকল্পনা নেয়। এবং বাস্তবে তা নামকরা মসজিদ আমানতি মসজিদ, যার সম্পূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করেন বোস পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের পার্থসারথি বোস। যদিও তার পিতা ঈশ্বর দীপক কুমার বোসের কাছ থেকেই সবটা শেখা ও জানা পার্থ বাবুর। আজ তিনি-সহ তাঁর পরিবারের মধ্যে মসজিদ বলে আলাদা করে কিছু ভাবনাচিন্তা নেই। মসজিদ যেমন আছে তেমন তো থাকবেই। সাম্প্রতিক মসজিদের সামনে মিনার তৈরি হচ্ছে, মসজিদকে আরও কিভাবে সাজিয়ে তোলা যায় তার জন্য মসজিদের ইমাম সাহেবের সঙ্গে কথা বলে সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানান পার্থ বাবু।

    পার্থবাবু মনে করেন, আমরা মানব জাতি। এর বাইরে আর কিছু হতে পারে না।তবে তিনি রোজা রেখে উপকৃত হয়েছেন তাই তিনি একটা মাস সংখ্যালঘু ভাই বন্ধুদের সাথে রোজা রাখেন। বারাসত পূর্ব ইছাপুর এলাকায় এই মসজিদ ছাড়া আর কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস নেই। মসজিদের ইমাম মওলানা আক্তার আলী বলেন একজন হিন্দু পরিবার তার ধর্মটাকে বজিয়ে রেখে অপর এক ধর্মের সাথে যুক্ত থাকা,নিজের ধর্মটাকে যেভাবে ভালোবাসে ঠিক সেই ভাবে অন্য ধর্মের প্রতিও ভালোবাসা এটা সত্যি গর্বের মত বিষয়। এরাই প্রকৃত মানুষ ।

    রুদ্র নারায়ন রায়

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    Tags: North 24 Parganas

    পরবর্তী খবর