Corona Vaccine: অফিসেই দেওয়া হবে করোনা ভ্যাকসিন ! জানুন কারা এবং কিভাবে পাবেন এই টিকা

Corona Vaccine: অফিসেই দেওয়া হবে করোনা ভ্যাকসিন ! জানুন কারা এবং কিভাবে পাবেন এই টিকা

Corona Vaccine

Corona Vaccine: এই টিকা কারা নিতে পারবেন? সকলেই কি এই টিকা নেওয়ার যোগ্য? কিভাবে পাওয়া যাবে এই টিকা? সে সব কিছুর উত্তর এবার আপনি নিজেই জেনে নিন।

  • Share this:

    #নয়া দিল্লি: করোনা দ্বিতীয় ঢেউ ফের নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়চে আক্রান্তের সংখ্যা। গত বছর আমরা যে ভয়ানক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তা আটকাতে এবার একমাত্র ভরসা করোনা ভ্যাকসিন। মানুষের মধ্যে ভ্যাকসিন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়িয়ে, যত তাড়াতাড়ি সব চেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকাকরণের আওতায় আনা যাবে, ততই সহজ হবে করোনাকে আটকানো। আর এই জন্যই এবার নতুন ভাবনা এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সরকারি ও বেসরকারি অফিসেও টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। যেসব অফিসে অন্তত ১০০ জন ৪৫ বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তি রয়েছেন, সেখানে ভ্যাকসিন সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।৪৫ বছর বয়সী ও ৪৫ বছরের বেশি যাদের বয়স, তাঁদের টিকাকরণ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য আগামী ১১ এপ্রিলের মধ্যে বিভিন্ন অফিসে ভ্যাকসিন সেন্টার তৈরি করতে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু এই টিকা কারা নিতে পারবেন? সকলেই কি এই টিকা নেওয়ার যোগ্য? কিভাবে পাওয়া যাবে এই টিকা? সে সব কিছুর উত্তর এবার আপনি নিজেই জেনে নিন।

    প্রশ্ন: এই ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য যোগ্য কারা? সকলকেই কি দেওয়া হবে?

    উত্তর: হ্যাঁ, এই ভ্যাকসিন এই মুহূর্তে তাঁরাই পাবেন যাদের বয়স ৪৫ বা তাঁর বেশি। যারা ১৯৭৭ সালের ১ তারিখের আগে জন্ম গ্রহণ করেছেন, তাঁরা সকলেই এই টিকা নিতে পারবেন। সরকারি বা বেসরকারি অফিসে যেসব কর্মীরা এই বয়সের আওতাভুক্ত এখন কেবল তাঁরাই ভ্যাকসিন পাবেন। পরবর্তী কালে বয়স সীমা সরকার বাড়ালে, ফের অন্য বয়সের কর্মীদের টিকা দেওয়া হবে।

    প্রশ্ন: কর্মীর পরিবারের লোক, যাদের বয়স ৪৫ বা তাঁর বেশি তাঁরা কি অফিসের আওতায় টিকা নিতে পারবেন?

    উত্তর: না, পারবেন না। কর্মীকেই কেবল দেওয়া হচ্ছে এই টিকা। পরিবারের লোক অফিসের টিকাকরণের আওতায় পড়বেন না।

    প্রশ্ন: সরকার এই পদক্ষেপ কেন নিলেন? উত্তর: আমাদের দেশের এই বয়সী মানুষরা অনেকেই কর্মস্থলে যান। বেসরাকরি বা সরকারি কর্মচারীদের টিকা দিতে শুরু করার প্রধাণ কারণ, দ্রুত টিকা করণ পদ্ধতি সম্পন্ন করা। অনেকেই আছেন যারা স্বাস্থ কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে চাইছেন না, কাজের অজুহাতে। তাঁদেরকে সহজে এই টিকা নিতে সাহয্য করবে এই পদ্ধতি।

    প্রশ্ন: কবে থেকে শুরু হবে এই টিকা দান? উত্তর: এপ্রিলের ১১ তারিখ থেকেই শুরু হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সব সরাকারি ও বেসরকারি অফিসের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এই টাকা দান পদ্ধতি শেষ করার।

    প্রশ্ন: তাহলে সব অফিসেই কি এই সেন্টার খোলা হবে? উত্তর: টিকার দ্রুত সঠিক প্রয়োগের জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব আফিসকেই এর আওতাভুক্ত করা হবে।

    প্রশ্ন: কিন্তু অফিসের মধ্যেই এই ধরণের সেন্টার খোলা কতটা ঠিক? উত্তর: সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে কাছের সরকারি অফিস, এবং বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সব চেয়ে কাছের বেসরকারি হাসপাতালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়ে। তারা সব রকম সচেতনতা মেনেই এই সেন্টারগুলো চালাবে। প্রয়োজনে সবচেয়ে কাছের হাসপাতালে আলাদা করে ব্যবস্থাও করা হতে পারে। তবে সেটা তখনই যদি না অফিসে ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। তাই এই সেন্টারগুলো অবশ্যই সঠিক ভাবে, সঠিক নিয়ম মেনে চলবে।

    প্রশ্ন: কিন্তু এত হাজার অফিস আছে, সেগুলোকে চিহ্নিত কিভাবে করা হবে?

    উত্তর: এর জন্য ডিস্ট্রিক্ট টাস্ক ফোর্সের চেয়ার পার্সন ও মিউনিসিপাল কমিশনার সব দায়িত্ব নেবেন। প্রতি জেলা ও মিউনিসিপালিটির আওতায় যত অফিস আছে সব তাদের দায়িত্বে থাকবে। তারাই ব্যবস্থা করবেন।

    প্রশ্ন: কিভাবে এই টিকার জন্য নিজের নাম নথিভুক্ত করাতে হবে? উত্তর: আপনি CoWIN-এর মাধ্যমে নিজের নাম রেজিস্ট্রার করাতে পারেন। এছাড়া নোডাল অফিসাররা সব অফিসের কর্মীদের ডিটেইলস নেবেন। এবং তারাই পরবর্তী যোগাযোগ করে এই টিকাকরনের ব্যবস্থা করবে। অফিসগুলোকেও এই CoWIN-এ নিজেদের রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।

    Published by:Piya Banerjee
    First published:

    লেটেস্ট খবর