২৮ বছর ধরে প্রতি দিন ৫ টাকা করে জমিয়েছিলেন, রাম মন্দির নির্মাণে সমস্ত অর্থ তুলে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মহিলা!

২৮ বছর ধরে প্রতি দিন ৫ টাকা করে জমিয়েছিলেন, রাম মন্দির নির্মাণে সমস্ত অর্থ তুলে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মহিলা!

কানপুরের যশোদা নগরের বাসিন্দা কৃষ্ণা দীক্ষিত সম্প্রতি তাঁর জমানো সমস্ত টাকা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (Rashtriya Swayamsevak Sangh) প্রান্তীয় প্রচারক শ্রী রামের (Shri Ram) হাতে তুলে দিয়েছেন।

কানপুরের যশোদা নগরের বাসিন্দা কৃষ্ণা দীক্ষিত সম্প্রতি তাঁর জমানো সমস্ত টাকা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (Rashtriya Swayamsevak Sangh) প্রান্তীয় প্রচারক শ্রী রামের (Shri Ram) হাতে তুলে দিয়েছেন।

  • Share this:

#লখনউ: বহু ইতিহাস, বেদনাদায়ক ঘটনা, লড়াই, আইনি জটিলতা পেরিয়ে শেষমেশ রাম মন্দির নির্মাণের স্বপ্ন সফল হয়েছে। গত বছর মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মন্দির গড়ার লক্ষ্যে দেশের নানা প্রান্তের মানুষ নিজেদের সাধ্য মতো সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম উঠে এল উত্তরপ্রদেশের কানপুরের কৃষ্ণা দীক্ষিতের। ৮০ বছর বয়সী কৃষ্ণাদেবী ২৮ বছর ধরে প্রতি দিন ৫ টাকা করে জমিয়েছিলেন। এবার সব মিলিয়ে ৫১,০০০ টাকার একটু বেশি অর্থ অনুদান হিসেবে তুলে দিলেন তিনি।

কানপুরের যশোদা নগরের বাসিন্দা কৃষ্ণা দীক্ষিত সম্প্রতি তাঁর জমানো সমস্ত টাকা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (Rashtriya Swayamsevak Sangh) প্রান্তীয় প্রচারক শ্রী রামের (Shri Ram) হাতে তুলে দিয়েছেন। কৃষ্ণাদেবী জানিয়েছেন, এই অর্থ বহু দিনের স্বপ্ন ও আশার সফল। ১৯৯২ সাল। সেই থেকে রাম মন্দির তৈরির ইচ্ছে নিয়ে প্রতি দিন পাঁচ টাকা করে জমানো শুরু করি। সেই চলছে। আজ পর্যন্ত টাকা জমানোর ক্ষেত্রে কোনও রকম বেনিয়ম হয়নি। তবে শেষমেশ তৃপ্তি পেলাম। আমার জমানো সমস্ত টাকা এবার রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে পেরেছি।

রাম মন্দির নিমার্ণে দীক্ষিত পরিবারের মোট অনুদানের পরিমাণ ১,৩০,৯০০ টাকা। এই অনুদানের মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণা দীক্ষিতের নাতি নমিত দীক্ষিতের প্রথম মাসের বেতন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দির নির্মাণের উদ্দেশ্যেই বছরখানেক আগে এই টাকা সরিয়ে রাখা হয়েছিল। কৃষ্ণাদেবীর কথায়, শুরু থেকেই রাম মন্দির নিমার্ণের এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল আমার পরিবার। লক্ষ লক্ষ ভারতবাসীর মতো আমিও রামের জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের স্বপ্ন দেখি। আর সেই আশাতেই এই চেষ্টা। আশা করি আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা শীঘ্রই সার্থক রূপ নেবে।

প্রসঙ্গত, রাম মন্দির নির্মাণের উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই অযোধ্যা ও তার আশেপাশের এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা তোলার কাজ করছেন RSS ও VHP নেতা-কর্মীরা। মন্দির নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষের ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর সাহায্যকেও সাদরে গ্রহণ করেছেন তাঁরা। তবে নগদ অনুদান হিসেবে ২০,০০০ টাকার বেশি গ্রহণ করা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে বছরের পর বছর ধরে কৃষ্ণার জমানো টাকাকে প্রথমে তাঁর নাতির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হয়েছে। তার পর সেই চেক মন্দির কর্তৃপক্ষকে ইস্যু করতে হয়েছে। এমনই জানাচ্ছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মকর্তা ওমেন্দ্র অবস্তী (Omendra Awasthi)!

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

লেটেস্ট খবর