• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আইসিইউতে ভেন্টিলেশনে রোগিনীকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ! ঘৃণ্য ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত

আইসিইউতে ভেন্টিলেশনে রোগিনীকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ! ঘৃণ্য ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত

আইসিইউতে ভেন্টিলেশনে রোগিনীকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ!

আইসিইউতে ভেন্টিলেশনে রোগিনীকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ!

আইসিইউ-তে ভেন্টিলেটরে থাকা এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল হাসপাতালের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। জয়পুরের এক হাসপাতালে সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে।

  • Share this:

    #জয়পুর: বর্বরতার সীমা ছাড়ালো জয়পুরের এক হাসপাতালের ঘটনা। আইসিইউ-তে ভেন্টিলেটরে থাকা এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল হাসপাতালের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। জয়পুরের এক হাসপাতালে সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে। পরের দিন সকালে ওই চিকিৎসাধীন মহিলার স্বামী হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান। তখন ওই মহিলা একটি কাগজের টুকরোয় ঘটনার কথা লিখে জানানোয় পুলিশ বিষয়টি জানতে পারে। জানিয়েছেন এক পুলিশ আধিকারিক।

    নির্যাতিতা আইসিইউতে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন। পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান তাঁর স্বামী। স্ত্রী চোখে জল নিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করছেন দেখে তাঁর হাতে একটি কলম ও কাগজ দেন স্বামী। তখনই এই ঘটনাটি লিখে জানান ৩০ উর্ধ্ব মহিলা। হাসপাতালেরই এক ২৬ বছরের কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতার স্বামী থানায় এফআইআর দায়ের করলে ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    পুলিশি অভিযোগে নির্যাতিতার স্বামী জানিয়েছেন, সোমবার রাত ৮টা নাগাদ তাঁর স্ত্রীকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। তখন তাঁকে বাড়ি চলে যেতে বলা হয়। প্রয়োজনে তাঁকে ফোন করে ডাকা হবে, এমনই বলা হয় হাসপাতাল থেকে। পুলিশ আধিকারিক প্রদীপ মোহন শর্মা জানিয়েছেন, অভিযোগ দায়ের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ছুটে যায় হাসপাতালে। হাসপাতালে সেই সময়ে ডিউটিতে কে কে ছিলেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্ততে সনাক্ত করা হয়।

    অভিযুক্ত এক বছর ধরে ওই হাসপাতালে কর্মরত বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি ওই মহিলাকে কেন লাইফ সাপোর্টে রাখা হল সেটিও পরিষ্কার হয়নি বলে জানাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার সময়ে আইসিইউ-তে আর কোনও কর্মী ছিলেন না। অন্যান্য রোগীরাও ভেন্টিলেশনে থাকায় অচেতন ছিলেন অধিকাংশই। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: