• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • লকডাউনে সতীনের বাড়িতে আটকে স্বামী, পুলিশে ফোন প্রথম পক্ষের স্ত্রীর

লকডাউনে সতীনের বাড়িতে আটকে স্বামী, পুলিশে ফোন প্রথম পক্ষের স্ত্রীর

উত্তর ২৪ পরগনায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৯৪ ৷ দক্ষিণ দমদম পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ১১ ৷ বারাসত পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৮৷ মধ্যমগ্রাম পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৬ ৷ হাবড়া পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৫ ৷ বিধাননগর পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৫ ৷ হাওড়ায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৪৫ ৷ PHOTO- FILE

উত্তর ২৪ পরগনায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৯৪ ৷ দক্ষিণ দমদম পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ১১ ৷ বারাসত পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৮৷ মধ্যমগ্রাম পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৬ ৷ হাবড়া পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৫ ৷ বিধাননগর পুরসভায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৫ ৷ হাওড়ায় কন্টেইনমেন্ট জোন ৪৫ ৷ PHOTO- FILE

পূর্ব বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি লুকিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন৷

  • Share this:

    #লকডাউন: দুই স্ত্রী৷ চুক্তি অনুযায়ী এক একজনের কাছে সাত দিন করে থাকার কথা স্বামীর৷ চুক্তি মেনে তাই করছিলেন স্বামী৷ কিন্তু সমস্যা বাঁধাল লকডাউন৷ ফলে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়িতেই আটকে রয়েছেন স্বামী৷ তাঁকে বাড়ি ফেরাতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের সাহায্য চাইলেন প্রথম স্ত্রী৷

    এমনই এক ঘটনা সামনে এসেছে বেঙ্গালুরু থেকে৷ জানা গিয়েছে, পূর্ব বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি লুকিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন৷ প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং এক সন্তান থাকার কথা সম্পূর্ণ চেপে গিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করে নেন তিনি৷ শেষ পর্যন্ত বছর দু' য়েক আগে প্রথম পক্ষের স্ত্রী স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানতে পারেন৷ সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টির প্রতিবাদ করে বেঙ্গালুরু পুলিশের মহিলাদের হেল্পলাইনে জানান প্রথম পক্ষের স্ত্রী৷ কিন্তু স্বামীর অনুরোধে বিষয়টি নিয়ে আর কোনও আইনি কোনও পদক্ষেপ করেননি তিনি৷

    এর পর দুই স্ত্রী এবং ওই যুবকের পরিবার এক জায়গায় বসে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসায় পৌঁছয়৷ সেখানে ঠিক হয়, দুই স্ত্রী এবং সন্তানের দায়িত্ব সমানভাবে পালন করবেন ওই যুবক৷ প্রত্যেক সপ্তাহে তিনি এক একজন স্ত্রীর কাছে থাকবেন বলেও সিদ্ধান্ত হয়৷

    এই মীমাংসার পর থেকেই সাত দিন করে এক একজন স্ত্রীর কাছে থাকতেন ওই যুবক৷ গত ২১ মার্চ তিনি দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর কাছে থাকতে যান৷ এর পরেই বাঁধে বিপত্তি৷ লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় ২৮ মার্চ আর প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কাছে পৌঁছতে পারেননি ওই ব্যক্তি৷

    এ দিকে স্বামীকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন যুবকের প্রথম পক্ষের স্ত্রীও৷ বার বার স্বামীকে ফোন করতে থাকেন তিনি৷ বাড়ির নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রায় ফুরিয়ে এসেছিল৷ প্রথম পক্ষের স্ত্রীকে ওই যুবক জানান, কোনওভাবে সম্ভব হলেই তিনি ফিরে আসবেন৷ কিন্তু দিনের পর দিন স্বামী না ফেরায় শেষ পর্যন্ত পুলিশের মহিলা হেল্পলাইনে ফোন করেন প্রথম পক্ষের স্ত্রী৷ ওই যুবকের খোঁজ করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর বাড়িতেও ছিলেন না তিনি৷ সেখান থেকে বেরিয়ে বিজয়নগরে এক বন্ধুর বাড়িতে থাকছিলেন ওই যুবক৷

    বিপাকে পড়ে আবারও ওই যুবক দাবি করেছেন, দ্রুত নিজের দুই স্ত্রীর বাড়িতেই প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন তিনি৷ পাশাপাশি তিন পক্ষের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, তাও মেনে চলবেন৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: