corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আতঙ্কে প্রসূতি বিভাগে গর্ভবতীকে বাধা! বাইরে মাটিতে প্রসবে মৃত শিশু

করোনা আতঙ্কে প্রসূতি বিভাগে গর্ভবতীকে বাধা! বাইরে মাটিতে প্রসবে মৃত শিশু
representative image

করোনা আতঙ্কের জেরে গর্ভবতী মহিলাকে ঢুকতে দেওয়া হল না হাসপাতালের প্রসূতি ও শিশুসুরক্ষা বিভাগে! নিরুপায় প্রসূতি সন্তানের জন্ম দিলেন বিভাগের বাইরে, মাটিতে! করোনার ভয়ে কেউ ন্যূণতম সাহায্যের হাতটুকুও বাড়িয়ে দিলেন না...জন্মের পরই মৃত্যু হয় সদ্যোজাতর

  • Share this:

#লুধিয়ানা: করোনা আতঙ্কের জেরে গর্ভবতী মহিলাকে ঢুকতে দেওয়া হল না হাসপাতালের প্রসূতি ও শিশুসুরক্ষা বিভাগে! নিরুপায় প্রসূতি সন্তানের জন্ম দিলেন বিভাগের বাইরে, মাটিতে! করোনার ভয়ে কেউ ন্যূনতম সাহায্যের হাতটুকুও বাড়িয়ে দিলেন না৷ জন্মের পরই মৃত্যু হয় সদ্যোজাতর।

মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে লুধিয়ানায়। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্মীরা গর্ভবতী মহিলাকে শুধুমাত্র লেবার রুমেই ঢুকতে বাধা দেননি, তাঁকে বলেন সেই মুহূর্তে কোনও ডাক্তার উপস্থিত নেই, তাঁকে এও বলা হয়, তিনি নাকি লেবার রুম 'নোংরা' করবেন।

মহিলার পরিবার ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ, রবিবার সকালে প্রসূতি প্রসব বেদনায় কাতরাতে থাকেন। নিজেই বারবার  হাসপাতালের লেবার রুমের সামনে যান, কিন্তু প্রতিবারই তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রবিবার সাড়ে এগারোটা নাগাদ 'মাদার অ্যান্ড চাইল্ডকেয়ার ইউনিট'-এর বাইরে, মাটিতেই এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মহিলা। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার ছুটির দিনে হাসপাতালে একজন ডাক্তারও উপস্থিত ছিলেন না।  একজন নার্স-সহ দু'জন হাসপাতাল কর্মী রোগীদের দেখাশোনা করছিলেন।

সদ্য সন্তান হারানো ধানদারি কলোনির বাসিন্দা ওই মহিলা জানান, '' রবিবার সকালে আমার প্রসন বেদনা ওঠে। প্রতিবেশীরা অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন। সিভিল হাসপাতালের 'মাদার অ্যান্ড চাইল্ডকেয়ার ইউনিট'-এ  নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালের কর্মীরা আমার চিকিৎসা করতে রাজি হন না। তাঁরা বলেন, আমি নাকি হাসপাতাল নোংরা করব। এরপর আমি হাসপাতালের মাটিতে শুয়েই সন্তানের জন্ম দিই। জন্মের পরই আমার সন্তানের মৃত্যু হয়।''

তবে, এই সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন হাসপাতালে সেইসময়  কর্তব্যরত কর্মীরা। সিভিল সার্জেন রাজেশ কুমার বাগ্গা জানিয়েছেন, ''হাসপাতালের মাটিতে স্থানীয় এক মহিলার 'প্রি ম্যাচিওর' সন্তানের জন্ম দেওয়ার ঘটনাটি আমি জানতে পারি সোমবার। সেদিন সত্যিই কী হয়েছিল, নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখব।''

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী বলবীর সিং জানান, 'বিষয়টি তদন্ত করা হবে। হেল্পলাইন নম্বর ১০৪-এ দায়ের হওয়া কমপ্লেনের রিপোর্ট তলব করব।'

Published by: Rukmini Mazumder
First published: May 29, 2020, 6:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर