সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু কিনতে লাইন উধাও, কেন?

সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু কিনতে লাইন উধাও, কেন?

বর্তমানে সরকারি ভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে কুড়ি টাকা।

বর্তমানে সরকারি ভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে কুড়ি টাকা।

  • Share this:

#বর্ধমান: কয়েকদিন আগেও ঘন্টার পর ঘন্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সরকারি সহায়ক মূল্যের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে আলু কিনছিলেন বাসিন্দারা। এখন সেই বিক্রয় কেন্দ্রে খদ্দেরের দেখা নেই। তখন পঁচিশ টাকা কেজি দরে মাথাপিছু তিন কিলো করে আলু বিক্রি করা হচ্ছিল। এখন সরকারি সহায়ক মূল্যের আলুর দাম কুড়ি টাকা কেজি। তাও পূর্ব বর্ধমান জেলায় সেইসব কেন্দ্রগুলিতে আলু কেনার খদ্দের নেই। কেন এমন ঘটল?

আলুর দাম অনেকটাই কমে যাওয়ায় আর সরকারি সহায়ক মূল্য আলু কেনার প্রয়োজন পড়ছে না বাসিন্দাদের। কারণ বাজারে এখন আলুর দাম সরকারি সহায়ক মূল্যের আালুর থেকেও অনেক কম।সেই জন্যই আর সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু কেনার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ক্রেতারা। একসময় বাজারে আলুর দাম কেজি প্রতি চল্লিশ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। তিরিশ টাকার ওপরে আলু বিক্রি হয়েছে দীর্ঘদিন। সেজন্যই পঁচিশ টাকা কেজি দরে সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু কেনার আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। সেই আলু এখন খুচরো বাজারে ষোল টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। সেজন্যই এখন আর কেউ সরকারি সহায়ক মূল্যের আলুর খোঁজ করছেন না।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার কৃষক বাজারে প্রায় এক মাস সরকারি সহায়ক মূল্য আলু বিক্রি করা হচ্ছে। দিনের পর দিন সেখানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বর্তমানে সরকারি সহায়ক মূল্যের আলু থেকেও খোলাবাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে। তাই গত তিন দিনে সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু কিনতে কোনও ক্রেতা আসেননি।

বর্তমানে সরকারি ভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে কুড়ি টাকা।কিন্তু খোলা বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ষোল টাকায়। তাই সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু না কিনে খোলাবাজারে আলু কিনছেন গ্রাহকরা। কৃষক বাজারে সরকারি সহায়ক মূল্যে আলু বিক্রির দায়িত্বে থাকা শেখ হায়দার জানান, "খোলা বাজারে আলুর দাম কম হওয়ায় কৃষক বাজারে আলু কেউ কিনছে না। তিন দিন ধরে কোনও ক্রেতা আসছে না।এই বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।"

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর