Home /News /national /
‘জেনারেল ডায়ার হতে কে বলেছে?‌’‌, মুঙ্গেরের বিসর্জনে গুলি নিয়ে মন্তব্য তেজস্বীর

‘জেনারেল ডায়ার হতে কে বলেছে?‌’‌, মুঙ্গেরের বিসর্জনে গুলি নিয়ে মন্তব্য তেজস্বীর

তবে দাদা তেজপ্রতাপের সঙ্গে যথেষ্টই মিলেমিশে থাকেন তেজস্বী৷ দুই ভাইকে প্রায় সময়ই একসঙ্গে দেখা যায়৷ তেজস্বী রাজনীতীতে অনেকটা এগিয়ে গেলেও সর্বদা দাদার সমর্থন পেয়েছেন৷

তবে দাদা তেজপ্রতাপের সঙ্গে যথেষ্টই মিলেমিশে থাকেন তেজস্বী৷ দুই ভাইকে প্রায় সময়ই একসঙ্গে দেখা যায়৷ তেজস্বী রাজনীতীতে অনেকটা এগিয়ে গেলেও সর্বদা দাদার সমর্থন পেয়েছেন৷

একটি রিপোর্ট অনুসারে, ঘটনায় ২৭ জন আহত হয়েছেন। পাল্টা পুলিশের বয়ানে বলা হয়েছে, এই দুর্গাপুজোর বিসর্জনে বেশ কিছু সমাজবিরোধী জড় হয়েছিল। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে।

  • Share this:

    #‌পটনা:‌ বিহারের নির্বাচনের মুখে মুঙ্গেরে দুর্গা ঠাকুর বিসর্জনের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়, আর তা নিয়েই এবার মুখ খুললেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তিনি এদিন বলেন, ‘‌ডবল ইঞ্জিন সরকারের নিশ্চিত এতে ইন্ধন আছে। কে ওঁদের অনুমতি দিতে জেনারেল ডায়ার হতে?‌ একটা ট্যুইট করা ছাড়া সুশীল মোদি কী করেছেন?‌’‌ এদিন একটি বিশেষ সাংবাদিক বৈঠক ডাকা হয় বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি ও বামেদের প্রতিনিধিও। সেখানেই তেজস্বী গোটা ঘটনার জন্য হাইকোর্টের নজরদারিতে তদন্তের দাবি করেন।

    সোমবার নির্বাচনের মুখে চরম অশান্তি ছড়ায় বিহারে। আর সেই অশান্তির কেন্দ্রে রয়েছে দুর্গা প্রতিমার বিসর্জন। সোমবার মুঙ্গেরে দুর্গা প্রতিমার বিসর্জন নিয়ে এখানে ভয়ঙ্কর গোলমাল শুরু হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সেখানেও দেখা যায়, পুলিশ লাঠি চার্জ করছে। কিন্তু পরবর্তীকালে খবর পাওয়া যায়, পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ গুলিও চালায়। বুধবারই বিহারে প্রথম দফার নির্বাচন। যে যে জেলাগুলিতে প্রথম দফায় নির্বাচন রয়েছে, তার মধ্যে মুঙ্গেরও রয়েছে। ভোটের মুখে এই পুলিশের লাঠি, গুলি চালানোর ঘটনা নিঃসন্দেহে নতুন করে প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তারপর খবর আসে, গুলি চালনার ঘটনায় একজনের মৃত্যুও হয়।

    একটি রিপোর্ট অনুসারে, ঘটনায় ২৭ জন আহত হয়েছেন। পাল্টা পুলিশের বয়ানে বলা হয়েছে, এই দুর্গাপুজোর বিসর্জনে বেশ কিছু সমাজবিরোধী জড় হয়েছিল। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। তাতে ২৩ জন পুলিশকর্মী আহত হন। সেই সময় গোলমাল নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। ঘটনায় মৃতের নাম অনুরাগ পোদ্দার। তিনি ওই বিসর্জন দলের সঙ্গেই যাচ্ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে পিস্তল, কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। জাতীয় সংবাদমাধ্যমে পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে যায়, তাই ইচ্ছা করে অনেকে গোলমাল পাকাতে চেষ্টা করছিলেন। বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি বলেছেন, ঘটনা যথেষ্ট দুর্ভাগ্যজনক, নির্বাচন কমিশন যেন এই বিষয়ে তদন্ত করে পুরো বিষয়টি দেখে। এলজিপি নেতা চিরাগ পাসওয়ান বলেছেন, বিহারে তালিবানি শাসনের মতো শাসন চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি বলেছেন, ‘‌মুঙ্গের পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হওয়া উচিত। স্থানীয় এসপি–কে এখনই সরিয়ে দিয়ে তার বিরুদ্ধে এফআইআর করা দরকার। আর মৃতের পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপুরণ ও পরিবারের কাউকে সরকারি চাকরি দেওয়া উচিত।’‌

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published:

    Tags: Bihar Election 2020

    পরবর্তী খবর