Home /News /national /
হোয়াটসঅ্যাপকে ভারতের আইন মেনে চলতে হবে, হোয়াটসঅ্যাপ সিইওকে সতর্কবার্তা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর

হোয়াটসঅ্যাপকে ভারতের আইন মেনে চলতে হবে, হোয়াটসঅ্যাপ সিইওকে সতর্কবার্তা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর

Representative Image

Representative Image

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: গুজব মেসেজের জেরে গণপিটুনির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে দেশজুড়ে ৷ যার নেপথ্যে রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ৷ কেন্দ্রের কড়া বার্তার পর গত মাসেই হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ ৷ কিন্তু তারপরেও সমস্যার সমাধান হয়নি ৷ এবার হোয়াটসঅ্যাপ সিইওকে সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ৷

    মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ নির্দেশ দিয়েছেন, হোয়াটসঅ্যাপকে ভারতের আইন মেনে কাজ করতে হবে ৷

    আজই দিল্লিতে হোয়াটসঅ্যাপ সিইও ক্রিস ড্যানিয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন রবিশঙ্কর প্রসাদ ৷ সেই বৈঠকেই হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়ো মেসেজ আদানপ্রদান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ড্যানিয়েল ৷ কারণ হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়ো মেসেজ লেনদেনের জেরে বাড়ছে ‘ছেলেধরা’ গুজবে গণপিটুনির মত ঘটনা ৷ তবে, এই সমস্যার সমাধান করতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষকেই ৷ ভারতের আইন মেনে চলতে হবে হোয়াটসঅ্যাপকে ৷ নয়তো, প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হতে পারে বলে এদিন সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী ৷

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের শিশুকন্যা ধর্ষণে ছ’ঘণ্টায় রায় শোনাল আদালত

    হোয়াটসঅ্যাপ সিইও-র সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘ড্যানিয়েলের সঙ্গে বৈঠক সফল হয়েছে ৷ হোয়াটসঅ্যাপের ফলে সমাজের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে ৷ তবে, হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ আদান প্রদানের জেরে শুধুমাত্র যে, সমাজের ক্ষতি হচ্ছে এমনটা নয় ৷ শিক্ষা, হেলথকেয়ার এবং কেরলে বন্যা মোকাবিলায় হোয়াটসঅ্যাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে ৷ যা নিসন্দেহে প্রশংসনীয় ৷ কিন্তু এর পাশাপাশি সমাজে অপরাধপ্রবণ কাজ ক্রমশ বাড়ছে ৷ যা ভারতের আইন লঙ্ঘন করছে ৷ এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষই ৷’

    তবে, এই সমস্ত সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে ? সেই নিয়েও সহজ সমাধান দিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী ৷ ভুয়ো মেসেজে নজরদারি চালানোর জন্য ভারতে লোকাল গ্রিভেন্স অফিসার নিয়োগের পরামর্শ দিলেন তিনি ৷ পাশাপাশি ভারতের আইন মেনে চলার পরামর্শ দিলেন তিনি ৷ এর পরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে আশ্বাস দিলেন হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ ৷ বলেন, এদেশের আইন মেনেই কাজ হবে হোয়াটসঅ্যাপে ৷

    তবে, এর আগেও বিষয়টি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ৷ প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল ৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মত, তথ্যপ্রযুক্তিগত কিছু পরিবর্তন এলেই কী এই সমস্যার সমাধান করা যাবে ? কারণ কোন মেসজটি ভুয়ো আবার কোন প্রশ্নটি প্ররোচনামূলক ৷ প্রযুক্তির পক্ষে তা নির্ধারণ করা কার্যত অসম্ভব ৷ এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে একমাত্র উপায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়িয়ে তুলতে হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ ৷ তাহলেই একমাত্র এই সমস্যার সমাধান সম্ভব ৷

    First published:

    Tags: Ravi Shankar Prasad, Whatsapp

    পরবর্তী খবর