Twitter in india: কেন ভারতে আইনি রক্ষাকবচ হারাল Twitter? মোদি সরকারকে বিঁধলেন মমতা

সংঘাতে ট্যুইটার

Twitter in india: তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধরায় যে সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে তা হল, এই আইনের আওতায় কোনও মধ্যস্থতাকারী কোনও তৃতীয় পক্ষ বা থার্ড পার্টির তথ্য, ডেটা এবং আপত্তিকর কন্টেন্টের জন্য আইনতভাবে বা অন্য কোনওভাবে দায়বদ্ধ থাকবে না।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সোশ্যাল মিডিয়ায় রাশ টানতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম (OTT) এবং ডিজিটাল খবরের (Digital Media) জন্য একগুচ্ছ গাইডলাইন (Guidelines For Social Media) বেঁধে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এই নয়া নীতিতে সংস্থাগুলিকে একজন চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার, নোডাল অফিসার এবং রেসিডেন্ট গ্রিভেন্স অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। এ নিময় মেনেই সংশ্লিষ্ট পদগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে Twitter। কিন্তু রেসিডেন্ট গ্রিভেন্স অফিসার, নোডাল অফিসার এবং চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার পদে আধিকারিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিময় মানতে ব্যর্থ হওয়ায় এবার ইলেক্ট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) রোশের মুখে পড়ল মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম Twitter।

সরকারের মতে এর অর্থ হল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যস্থতাকারী হিসাবে তথ্য প্রযুক্তি আইনের (Information Technology) ৭৯ ধারার অধীনে যে সুরক্ষাকবচ প্রদান করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। সরকারের নিয়ম না মানার অভিযোগেই এই সুরক্ষাকবচ প্রত্যাহার বলে জানানো হয়েছে।

IT আইনের ধারা ৭৯-এর অধীন মধ্যস্থতাকারীদের সুরক্ষা বলতে কী বোঝায়?

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধরায় যে সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে তা হল, এই আইনের আওতায় কোনও মধ্যস্থতাকারী কোনও তৃতীয় পক্ষ বা থার্ড পার্টির তথ্য, ডেটা এবং আপত্তিকর কন্টেন্টের জন্য আইনতভাবে বা অন্য কোনওভাবে দায়বদ্ধ থাকবে না।

এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ কী?

কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বুধবার একাধিক Tweet-এ Twitter-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, "ইচ্ছাকৃতভাবে সম্মতি না জানানোর পথ বেছে নিয়েছে।"

রবিশঙ্কর প্রসাদের কথায়, “অবাক করা বিষয় যে, Twitter যেখানে নিজেকে সকলের ইচ্ছামতো বক্তব্য প্রাকাশের প্ল্যাটফর্ম হিসাবে তুলে ধরে, সেখানে মধ্যস্থতাকারী নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরেই এটি নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী তা না মানার পথ বেছে নেয়। আরও বিস্ময়কর বিষয়টি হল, Twitter ব্যবহারকারীদের অভিযোগের সমাধান করতেও ব্যর্থ হয়েছে।”

Additionally, it chooses a policy of flagging manipulates media, only when it suits, its likes and dislikes,”

Twitter-এর উপর কীভাবে এর প্রভাব পড়বে?

কম সময়ের মধ্যে যেহেতু তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধারার অধীনে থাকা সুরক্ষাকবচ হারিয়ে ফেলেছে Twitter, তাই এবার থেকে কোনও আপত্তিজনক কন্টেন্টর জন্য এই প্ল্যাটফর্মে বিরুদ্ধে যে কোনও এবং সমস্ত দণ্ডিত ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

সুতরাং এবার থেকে যদি কেউ Twitter-এ এমন কোনও বিষয়বস্তু প্রচার করে যা থেকে হিংস্রতা ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে এবং যদি কোনও কন্টেন্টের মাধ্যমে ভারতের আইন লঙ্ঘিত হয়, তবে শুধুমাত্র সেই ব্যক্তিকেই এই ঘঠনার জন্য দায়বদ্ধ করা হবেনা সেই সঙ্গে Twitter-ও আইনতভাবে এই পুরো ঘটনার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। কারণ এই সুরক্ষাকবচের আওতায় আর নেই Twitter।

গোটা বিষয়টি নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, 'এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। ওরা টুইটারকে কন্ট্রোল করতে পারছে না, আমাকে কন্ট্রোল করতে পারছে না, তাই আমাকে বুলডোজ করতে চাইছে।'

First published: