• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • চূড়ান্ত তালিকায় নাম না উঠলে ঠিকানা কী ডিটেনশন সেন্টার ? উৎকণ্ঠায় অসম

চূড়ান্ত তালিকায় নাম না উঠলে ঠিকানা কী ডিটেনশন সেন্টার ? উৎকণ্ঠায় অসম

নিজের দেশেই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কাটাতে হবে বন্দিজীবন?

নিজের দেশেই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কাটাতে হবে বন্দিজীবন?

নিজের দেশেই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কাটাতে হবে বন্দিজীবন?

  • Share this:

    #গুয়াহাটি: অসমের নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকাতেও নাম না উঠলে কী হবে? তখন কি ঠিকানা হবে ডিটেনশন সেন্টার? নিজের দেশেই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কাটাতে হবে বন্দিজীবন? একঘরে করে দিয়ে আরেকটি মরিচঝাঁপি হবে না তো? আতঙ্কে অসমবাসী। অসমের নাগরিকপঞ্জিতে নাম নেই চল্লিশ লক্ষের। মোদি সরকার বলছে, তাঁরা ফের আবেদন জানাতে পারবেন। কিন্তু, চল্লিশ লক্ষের মধ‍্যে নতুন করে আর ক’জনের নাম উঠবে তা নিয়ে অবশ‍্য অনেকেরই সন্দেহ। যাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকাতেও থাকবে না, তাঁদের কী হবে? অনুপ্রবেশকারী তকমা দিয়ে কি তাঁদের ডিটেনশন সেন্টারে আটকে রাখা হবে? এই আতঙ্ক এখন অসমজুড়ে।

    আরও পড়ুন:১৭ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে ছিল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, বেলবন্ডে সই করিয়ে ফেরত পাঠানো হল কলকাতায়

    অসমের শিলচর, কোকরাঝাড়, তেজপুর, গোয়ালপাড়া, ডিব্রুগড়, জোড়হাট - এই ৬টি জাগায় ডিটেনশন সেন্টার রয়েছে। যাঁদের ডি ভোটার বা সন্দেহজনক ভোটার বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের রাখা হয় এই ডিটেনশন সেন্টারে। প্রতিটি সেন্টারে রয়েছেন হাজার থেকে দেড় হাজার মানুষ ৷ গোয়ালপাড়ার ডিটেনশন সেন্টারের পাশেই রয়েছে ২০ বিঘা জমি। সেখানে ডিটেনশন সেন্টারের নতুন ভবন তৈরির জন‍্য ২০১৬ সালে, মোদি সরকারের কাছে আরজি জানায় অসমের বিজেপি সরকার। তাতে সবুজ সংকেতও মিলেছে। সেই মতো ডিটেনশন সেন্টােরর নতুন ভবন তৈরির কাজ খুব তাড়াতাড়িই শুরু করছে অসম সরকার। নতুন এই ভবনে তিন হাজার মানুষকে রাখা যাবে।

    আরও পড়ুন:Video: চূড়ান্ত তালিকায় নাম না উঠলে ঠিকনা কী ডিটেনশন সেন্টার ? উৎকণ্ঠায় অসম

    এতে অনেকেই অশনি সংকেত দেখছেন। তা হলে কি এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় যাঁদের নাম উঠবে না, তাঁদের পাঠানো হবে এই ডিটেনশন সেন্টারে? এই পরিস্থিতিতে অনেকের আবার মনে পড়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মরিচঝাঁপির কথা। সাতের দশকের শেষের দিকে, সুন্দরবনের এই দ্বীপে উদ্বাস্তুদের উপর চলে নির্মম অত‍্যাচার। অসমেও যাঁদের নাম নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না, তাঁদেরকেও একঘরে করে রক্তচক্ষুর মুখে পড়তে হবে না তো? চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে অসমের বহু মানুষের।

    First published: