কী এই টুজি মামলা? একনজরে দেখে নেওয়া যাক মামলার ইতিবৃত্ত

কী এই টুজি মামলা? একনজরে দেখে নেওয়া যাক মামলার ইতিবৃত্ত
Photo Courtesy: News 18
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ইউপিএ টুয়ের আমলে শোরগোল ফেলে দেওয়া এক দুর্নীতির অভিযোগ। সিএজি-র দাবি,তার জেরে সরকারের এক লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। গতকাল এই মামলায় উনিশজন অভিযুক্ত এবং তিন সংস্থাকে বেকসুর ঘোষণা করেছে বিশেষ সিবিআই আদালত। কিন্তু কী এই টুজি মামলা? একনজরে দেখে নেওয়া যাক মামলার ইতিবৃত্ত।

দু'হাজার সাত সালে মনমোহন মন্ত্রিসভায় টেলিকম মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন শরিক ডিএমকের এ রাজা। টুজি স্পেকট্রাম লাইসেন্স বন্টন শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে,

মামলার ইতিবৃত্ত

---------

- দু'হাজার সাত ও আট সালে টুজি স্পেকট্রাম লাইসেন্স বন্টনে দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতিতে যুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও আমলারা।

- দু'হাজার দশ সালে এই দুর্নীতি ফাঁস করে সিএজি। তারা দাবি করে এই দুর্নীতির জেরে কেন্দ্রের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে এক লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার কোটি টাকা

- এই মামলায় মূল অভিযুক্ত হন টেলিকম মন্ত্রী এ রাজা, টেলিকম সচিব সিদ্ধার্থ বেহুরা এবং ডিএমকে নেত্রী কে কানিমোঝি

- লাইসেন্স বন্টন নিয়ে অডিট রিপোর্ট জমা পড়ার পর দু-হাজার দশ সালে মন্ত্রিপদ থেকে পদত্যাগ করেন রাজা। দুহাজার এগারো সালে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়।

- অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, আর্থিক প্রতারণা, ভুয়ো নথি পেশ, সরকারি পদের অপব্যবহার এবং ঘুষের মামলা হয়

- এই মামলায় অনিল আম্বানি, তাঁর স্ত্রী টিনা আম্বানি এবং কর্পোরেট লবিস্ট নীরা রাডিয়া সহ একশ চুয়ান্নজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়

- দু'হাজার এগারো সালে এই মামলায় তিনটি চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। প্রথম চার্জশিটে না থাকলেও দ্বিতীয়টিতে কানিমোঝির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়

- দু'হাজার বারো সালে রাজার আমলে দেওয়া একশ বাইশটি স্পেকট্রাম লাইসেন্স বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট

- দু'হাজার তেরো সালে টুজি নিয়ে লোকসভায় জমা পড়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট

- দু'হাজার চোদ্দ সালে ঘুষের অভিযোগে রাজা, কানিমোঝির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় ইডি

- দু'হাজার সতেরোর উনিশে এপ্রিল সিবিআই বিশেষ আদালতে সওয়াল-জবাব শেষ হয়। রায়ের দিন ধার্য হয় একুশে ডিসেম্বর

- এদিন রায়ে টুজি মামলায় প্রমাণের অভাবে সব অভিযুক্তকেই মুক্তি দেওয়া হয়

First published: 09:12:38 AM Dec 22, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर