• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • স্টিকি বোমা, কাশ্মীরে হামলা চালাতে নয়া রণকৌশল পাকিস্তানের!

স্টিকি বোমা, কাশ্মীরে হামলা চালাতে নয়া রণকৌশল পাকিস্তানের!

কেমন দেখতে এই স্টিকি বোমা? IED-এর মতো দেখতে হলেও আকারে খানিকটা ছোট এই বোমা।

কেমন দেখতে এই স্টিকি বোমা? IED-এর মতো দেখতে হলেও আকারে খানিকটা ছোট এই বোমা।

কেমন দেখতে এই স্টিকি বোমা? IED-এর মতো দেখতে হলেও আকারে খানিকটা ছোট এই বোমা।

  • Share this:

#শ্রীনগর: নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতি চুক্তির পরেও দানা বাঁধছে উত্তেজনা। সেনা সূত্রে খবর, ড্রোনের সাহায্যে কাশ্মীরের একাংশে হামলার পরিকল্পনা করেছে পাক সেনা। এই কাজে স্টিকি বোমা ব্যবহার করছে পাকিস্তানের সেনা। তল্লাশি চালানোর পর ভারতীয় সেনার তরফে বেশ কয়েকটি স্টিকি বোমা উদ্ধারও করা হয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিশদে!

কেমন দেখতে এই স্টিকি বোমা? IED-এর মতো দেখতে হলেও আকারে খানিকটা ছোট এই বোমা। তবে অত্যন্ত বিপজ্জনক। সময় মতো নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়ে দেওয়া হয় এই বোমা। পরে রিমোটের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ফেব্রুয়ারি মাসেই সেনা তল্লাশির সময়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় এই বোমার সন্ধান মেলে। তার পর থেকেই আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তা ক্রমবর্ধমান।

এর পর থেকে একটা আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। প্রতিরক্ষা দফতরের একাংশের সন্দেহ, এই ঘটনার পিছনে দায়ী আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবাদীরাই। হয় তো পাকিস্তানের সাহায্য নিয়েই এই কাজ করছে তারা। তবে আফগানিস্তানের তরফে সেই রকম কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। তার পর থেকেই পাকিস্তান সেনার প্রতি সন্দেহ বাড়ছে। ২০১৯ সালের ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর জম্মু-কাশ্মীরে হিংসা কমেছে। এমনই দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু এই সুযোগে হয় তো নিজেদের সাম্রাজ্য বিস্তার করছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি।

রিমোট সঞ্চালিত এই স্টিকি বোমা কী ভাবে এল কাশ্মীরের মাটিতে? এ নিয়ে একাধিক অনুমান করা হচ্ছে। রয়টার্সের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, হয় ড্রোনের ব্যবহার করে উপর থেকে বোমা ফেলা হয়েছে। নয় তো কোনও সুড়ঙ্গের ব্যবহার করে হামলার জায়গার পৌঁছেছে বিপক্ষ দল। এই সূত্র ধরে ইতিমধ্যেই কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানের মধ্যে সংযোগকারী রাস্তায় বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গ পথেরও হদিশ মিলছে। যা নিয়ে জোরকদমে কাজ শুরু করেছে দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সুড়ঙ্গ পথ বন্ধ করার পাশাপাশি আশপাশের এলাকাতেও কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে।

স্টিকি বোমার কথা মাথায় রেখে যাবতীয় সতর্কতাও অবলম্বন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সেনার গাড়িগুলিকে প্রযুক্তিগত ভাবে আরও মজবুত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্য কোনও সাধারণ গাড়ি দেখলে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আশেপাশের মানুষজনকে সতর্ক করা হচ্ছে। বিভিন্ন ক্যামেরার ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে দূর পর্যন্ত কড়া নজরদারি চালানো যায়। বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক এলাকায় চলছে ড্রোনের নজরদারিও।

Published by:Piya Banerjee
First published: