• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Coronavirus| লকডাউনের প্রথম সাতদিনে ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে দেশ ! বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা !

Coronavirus| লকডাউনের প্রথম সাতদিনে ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে দেশ ! বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা !

এই এক সপ্তাহে করোনা মোকাবিলায় দেশ ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে !

এই এক সপ্তাহে করোনা মোকাবিলায় দেশ ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে !

এই এক সপ্তাহে করোনা মোকাবিলায় দেশ ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে !

  • Share this:

    #নয়া দিল্লি: দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণকে আটকানোর জন্য ২১ দিনের লকডাউন চলছে। যার মধ্যে ৭ দিন কেটে গিয়েছে। এই লকডাউনের মধ্যে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। তবুও অন্য দেশের তুলনায় ভারতে এখনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। লকডাউনের জন্যই এই ভাইরাস ছড়ানো কিছুটা হলেও আটকানো সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু এই এক সপ্তাহে করোনা মোকাবিলায় আমরা ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে !

    মার্চের ২৪ তারিখে লকডাউন ঘোষণার দিন দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৬৯। যা এই সাত দিনে বেড়ে হয়েছে ১৬৩৭। যেদিন লকডাউন ঘোষণা হয়েছিল সেদিন দেশে করোনা মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১০। যা এখন বেড়ে হয়েছে ৩৮। এই গৃহবন্দি অবস্থাতে দেশে প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৬৮। আর মৃতের গড় দিন প্রতি ৪। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে এতটা বাড়ায় সকলেই চিন্তিত। স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন একসঙ্গে অনেক মানুষ একত্রিত হওয়া মানেই করোনা ছড়ানোর সম্ভাবণা বেড়ে যাওয়া। গত সপ্তাহেই সাউথ কোরিয়াতে একটি চার্চে এক মহিলার থেকে ছড়ায় করোনা। তাঁরা চার্চে জমায়েত করেছিলেন। ঠিক একই রকম জমায়েত হয়েছিল দিল্লি নিজামউদ্দিনে। সেখানেও প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী ১৫০ জন এই জমায়েতে আক্রান্ত ছিলেন। যার মধ্যে তামিলনাড়ুতেই রয়েছে ৭০টা পজিটিভ কেস যারা এই জমায়েতে ছিলেন। এর থেকে ছোট ১৬টি জমায়েতের কথাও উঠে আসছে, যা কেরালাতে হয়েছিল।

    এছাড়াও এই লকডাউন ঘোষণার পর দিল্লিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের জমায়েত চোখে পড়ে। তারা বাড়ি ফিরতে পারছিলেন না। হঠাৎ লকডাউন ঘোষণায় তারা দিকভ্রান্ত হয়ে নিজের রাজ্যে ফেরার জন্য জমায়েত করেন। অনেকে আবার পায়ে হেঁটেই রওনা হন বাড়ির উদ্দেশ্যে। এই বাড়ি ফেরার মরিয়া চেষ্টায় প্রাণ হারান শ্রমিকরা। এই লকডাউনে বিহারের একটি ১১ বছরের ছেলেরও প্রাণ যায়। মার্চের ২৭ তারিখ তাঁর মৃত্যু হয়। খাবারের অভাবে মারা যায় সে। যদিও এদের কারই করোনা হয়নি। করোনার জন্য তৈরি হওয়া পরিস্থতির বলি হয় এরা।

    কেরালা দু মাস ধরে করোনার সঙ্গে লড়াই করছে। কেরালায় করোনা আক্রান্ত হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়। সেখানে লকডাউনের জন্য মদ না পেয়ে ৭ জন সুইসাইড করেন। একই ছবি দেখা যায় কর্ণাটকে। মদ না থাকায় ৪ জন সুইসাইড করেন। যেখানে সারা সপ্তাহে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ২৮। ভারতে প্রতিদিনে লাখ প্রতি মাত্র ১৮ জনের করোনা টেস্ট সম্ভব হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখনও টেস্টের সংখ্যা কম বলে করোনা আক্রান্তর সঠিক হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না। টেস্টের সংখ্যা বাড়ালে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। অন্য দেশের করোনা টেস্টের সংখ্যা ভারতের থেকে বেশি। তাই তাদের আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। ইতালি প্রতিদিন প্রতি লাখ মানুষের মধ্যে ৫২৬৮ জনের করোনা টেস্ট করাতে সক্ষম। ইউকে ১৪৬৯ জনের টেস্ট করাতে সক্ষম । আমাদের দেশে সেই ব্যবস্থাই নেই।

    লকডাউনের এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই মানুষের মধ্যে দেখা যাচ্ছে নানারকম ক্রাইসিস। বাড়ছে সুইসাইড। না খেতে পেয়ে মৃত্যু। এর পর বেতন কেটে নেওয়া হলে মানুষের মধ্যে মানসিক আতঙ্ক আরও বাড়তে পারে। তখন পরিস্থিতি সামলানো আরও মুশকিল। তবুও লকডাউন ছাড়া আর কোনও রাস্তাও আপাতত খোলা নেই। এখনও দু সপ্তাহ লকডাউন বাকি রয়েছে। বলা হচ্ছে সামনের দু সপ্তাহ ভারতের জন্য সব থেকে কঠিন সময়।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: