India Air Strike: সূত্রের ভরসায় 'যুদ্ধের' খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো খবর প্রতিমুহূর্তেই ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Mar 04, 2019 09:14 PM IST
India Air Strike: সূত্রের ভরসায় 'যুদ্ধের' খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো খবর প্রতিমুহূর্তেই ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি
Representational Image
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Mar 04, 2019 09:14 PM IST

#নয়াদিল্লি: পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে হামলার পরই পাল্টে যায় ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক। তৈরি হয় যুদ্ধের আবহ। তারপর থেকে উত্তেজনা বেড়েছে, ততই বিভিন্ন খবর ডালপালা ছড়িয়েছে। সবক্ষেত্রে সূত্রই ভরসা সংবাদ মাধ্যমের। নাম না জানা সূত্রই যেন প্রধান তথ্য সরবরাহকারী। তার ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার ছড়ানো খবর, যা প্রতিমুহূর্তে ছড়িয়েছে বিভ্রান্তি।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর প্রত্যঘাত হিসাবে ভারতের অভিযান।

২৬ ফেব্রুয়ারি

ভারতের বায়ুসেনা ভোর ৩.৩০-এ পাকিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালায় বালাকোটের জঙ্গি ঘাঁটিতে ৷ ভোর ৫.১২ মিনিটে পাকিস্তানের সেনা মুখপাত্রের একটি ট্যুইট এই হামলার কথা স্বীকার করে ৷ এরপরই অজানা সূত্র থেকে আসতে শুরু করল একের পর এক তথ্য ৷ কিন্তু এতোবড় ঘটনায় বেলা পর্যন্ত ভারত সরকারের তরফে কোনও তথ্যই দেওয়া হয়নি।ঘটনার পর প্রায় আট ঘন্টা দেশে ঘুরতে থাকে অজানা সূত্রের দেওয়া নানা তথ্য ৷ সকাল সাড়ে ১১টা-র পর বিদেশসচিবের তরফে অবশ্য জানানো হয় বালাকোটে প্রত্যাঘাতের কথা। কিন্তু কোথায়, কত জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে কোনও তথ্যই মেলেনি। যাকে প্রতিমুহূর্ত অস্ত্র করে চলেছে বিরোধীরা।

২৭ ফেব্রুয়ারি

Loading...

ফের সেই পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে খবর মিলল, ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার নওসেরা সেক্টরে ঢুকেছে পাক যুদ্ধবিমান ৷ প্রাথমিকভাবে জানানো হয় পাকিস্তানের হাতে বন্দী ২ ভারতীয় পাইলট ৷ পরে অবশ্য পাকিস্তান এক বায়ুসেনাকে বন্দী রাখার কথা স্বীকার করে ৷ সকাল থেকে টানা প্রায় বিকেল পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেনি ভারত সরকার ৷ অবশেষে বিকেলের দিকে পাকিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার কথা জানায় ভারতীয় বায়ুসেনা। জানানো হয় পাল্টা তাড়া করতে গিয়ে ভারতের একটি মিগ টোয়েন্টি ওয়ান বাইসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তখনও মেনে নেওয়া হয়নি পাকিস্তানের হাতে অভিনন্দন বর্তমান নামে এক বায়ুসেনার বন্দি থাকার কথা ৷ অর্থাৎ দুদেশের এই যুদ্ধের আবহে সরকারিভাবে মিলেছে মাত্র তিনটি তথ্য।

১.ভারতের বায়ু সেনা বালাকোটের জঙ্গিঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ৷

২.পাকিস্তান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারতের সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ৷

৩.এরপর, ২৮ ফেব্রুয়ারি পাক সংসদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভারতীয় বায়ুসেনাকে প্রত্যর্পণের কথা ৷

বাকি পুরোটাই সূত্র নির্ভর। কিন্তু এই সূত্রের সূত্রপাৎ কোথায়। আদৌ কি বিশ্বাসযোগ্য এই সূত্রের দেওয়া তথ্য। এর পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিমুহূর্তে ছড়াচ্ছে একের পর এক রং চড়ানো খবর। যা বাড়াচ্ছে বিভ্রান্তি। আর এসবের শেষ হল, ৩ মার্চ, মাসুদ আজহারের মৃত্যুর খবরে। দিনভর বিভিন্ন সূত্র মারফৎ খবর মেলে মৃত্যু হয়েছে জইশ এ মহম্মদের নেতা মাসুদ আজহারের। বিকেলের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়াও ছেয়ে যায় এই খবরে। কেউ বলছেন , কিডনির অসুখে মৃত্যু হয়েছে মাসুদের, কেউ আবার বলছেন ভারতীয় বিমান হামলায় তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে কোনও তথ্যই পাওয়া যায়নি। এরপরে অবশ্য জইশের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয় বেঁচে রয়েছে মাসুদ আজহার। আর এতেই ফের প্রশ্ন ওঠে সূত্র ও সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে।

First published: 08:43:05 PM Mar 04, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर