corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোন কোন কায়দায় ব্যাঙ্ককর্মীরা সাদা টাকা কালো করছেন ? জেনে নিন...

কোন কোন কায়দায় ব্যাঙ্ককর্মীরা সাদা টাকা কালো করছেন ? জেনে নিন...

গোয়া থেকে চন্ডিগড়। বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি। দেশজুড়ে কালো টাকা উদ্ধারে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে আয়কর বিভাগ, অপরাধদমন শাখা। বিমানবন্দরে তল্লাশিতে বসেছে বডি স্ক্যানার।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: গোয়া থেকে চন্ডিগড়। বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি। দেশজুড়ে কালো টাকা উদ্ধারে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে আয়কর বিভাগ, অপরাধদমন শাখা। বিমানবন্দরে তল্লাশিতে বসেছে বডি স্ক্যানার। কিন্তু তাতেও কি আটকানো যাচ্ছে সবটা? নোট বাতিলের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর সংখ্যক নতুন ও পুরোন নোট। অঙ্কটাও চমকে দেওয়া মত। কালো টাকা উদ্ধারে আট-ই নভেম্বর মোদির নোট বাতিলের ঘোষণার পর কেটে গেছে ছত্তিরিশ দিন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট থেকে ইনকাম ট্যাক্স, সিবিআই, দুর্নীতিদমন শাখা একযোগে অভিযান চালাচ্ছে দেশ জুড়ে। কখনও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আধিকারিক, কখনও ব্যবসায়ী, কখনও হাওয়ালা কারবারির কাছ থেকে উদ্ধার হচ্ছে কোটি কোটি হিসাব বহির্ভূত টাকা। আয়কর বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ থেকে ২,০০০ টাকার নোটে প্রায়১৭.২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৷ শহর বা শহরতলির প্রাইভেট ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা কালো টাকা সাদা করতে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে ৷ কী উপায়ে কালো টাকা সাদা করা সম্ভব হয়েছিল ? দেখে নিন-

১. নোট বাতিল হওয়ার পর থেকে প্রথম দিকে গ্রাহকদের তাদের পরিচয়পত্রের ফোটোকপি জমা দিতে হয়েছিল ৷ বেশ কিছু ক্ষেত্রে সেই তথ্য গ্রাহকদের না জানিয়ে কালো টাকা বা অবৈধ লেনদেন করার জন্য ব্যবহার করেছে বেশ কিছু ব্যাঙ্ককর্মীরা ৷ অথচ যে ব্যক্তির পরিচয় পত্র ব্যবহার করে এই কাজটি করা হয়েছে তিনি এই বিষয়ে টেরও পাননি ৷ অনেক সময় একই ব্রাঞ্চে যদি কোনও গ্রাহক টাকা বদল করতে যেত তো তাকে টাকা নেই বলে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হত ৷ এরপর তার নাম ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন করে কালো টাকা সাদা করা হতো ৷ ২. ৮ নভেম্বরের পর দেশের প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি এটিএম কাজ করছে না ৷ নতুন নোটের জন্য রিক্যালিব্রেশন করা হচ্ছিল বেশ কয়েকটি এটিএম ৷ সাধারণত এটিএমে নোট শেষ হয়ে গেলে নিজে থেকেই একটি মেসেজ জেনারেট হয় যে আর ক্যাশ নেই ৷ কিন্তু বেশ কিছু ক্ষেত্রে আগেই মেসেজ পাঠানো হচ্ছিল ৷ এরপর যা ক্যাশ বাকি থাকছিল মেশিনে সেটি দিয়ে কালো টাকা বদল করে সাদা করা হচ্ছিল ৷ ৩. প্রত্যেক ব্যাঙ্কের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জনধন অ্যাকাউন্ট কালো টাকাকে সাদা করতে ব্যবহার করা হয়েছিল ৷ যে অ্যাকাউন্টগুলিতে নাম মাত্র টাকা ছিল সেগুলিতে ৮ নভেম্বরের পর আচমকা বিশাল অঙ্কের টাকা জমা পড়তে শুরু করে ৷ অ্যাকাউন্ট হোল্ডার টাকা তুলতে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় ৷ ৪. প্রথমে পুরনো টাকা দিয়ে অনেকে একটি ডিমান্ড ড্রাফ্ট কেনেন ৷ এরপর তা বাতিল করে নতুন নোটে টাকা ফেরত নিয়ে নিচ্ছিল ৷ ৪৯,০০০ টাকার কম অঙ্কের ডিমান্ড ড্রাফ্টের জন্য কোনও প্রশ্ন উঠছিল না ৷ ৫. গ্রাহকদের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ব্যাঙ্ক আধিকারিকরা ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে তার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হচ্ছিল ৷ ৬. প্রথমে পুরনো নোটে টাকা জমা করা হয় ৷ পরে সেখান থেকে নতুন নোটে টাকা তোলা হয় ৷ এরপর কম ব্যালেন্স থাকায় তা নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ৷

First published: December 14, 2016, 7:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर