corona virus btn
corona virus btn
Loading

একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে লকডাউন, তরমুজ চাষে ক্ষতি, বাজার বন্ধ থাকায় তরমুজ বিক্রি নেই, মাথায় হাত

একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে লকডাউন, তরমুজ চাষে ক্ষতি, বাজার বন্ধ থাকায় তরমুজ বিক্রি নেই, মাথায় হাত
Photo- Representive

প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার সঙ্গে করোনা অতিমারি হাল খারাপ চাষীদের

  • Share this:

#মেদিনীপুর: একদিকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা। অন্যদিকে লকডাউন। জোড়া ফলায় দিশেহারা পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণার ১ ও ২ নম্বর ব্লকের তরমুজ চাষীরা।

চন্দ্রকোনার কালাবাড়ি, মানিককুণ্ডু, জাড়া, বড়আকনাসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় আলুর পরই তরমুজ চাষের কদর। গরমের সময় প্রতিবছরই বিক্রি হয় ভাল। লাভের মুখ দেখেন কৃষকরা। কিন্তু, এবছর সব হিসেব গন্ডগোল। GFX IN...অতিরিক্ত বৃষ্টির জেরে জমিতেই নষ্ট হয়েছে তরমুজ। গাছে পচন ধরায় ফলন গতবারের তুলনায় কম। আর লকডাউনের জেরে বিক্রি করা যাচ্ছে না তরমুজ। ঘোর বিপদে তরমুজ চাষীরা।

তরমুজ চাষে ক্ষতি

------------------- - অতিরিক্ত বৃষ্টিতে তরমুজ চাষে ক্ষতি - গাছে পচন ধরায় নষ্ট ফলন - লকডাউনের জেরে বিক্রির বাজার নেই

বিঘা প্রতি তরমুজ চাষ করতে ১৫-১৭ হাজার টাকা খরচ হয়। গতবছর কুইন্টাল প্রতি প্রায় দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এবছর লকডাউনের জেরে কুইন্টার প্রতি তরমুজ বিক্রি করতে হচ্ছে পাঁচশো থেকে সাতশো টাকায়। সব মিলিয়ে বিঘা প্রতি ১০ হাজার টাকার মতো ক্ষতি কৃষকদের মাথায় হাত ৷

------------------------------- - বিঘা প্রতি তরমুজ চাষে ১৫-১৭ হাজার টাকা খরচ - গতবছর কুইন্টাল প্রতি ১,৫০০ টাকায় বিক্রি - এবছর তরমুজ কুইন্টাল প্রতি ৫০০-৭০০ টাকায় বিক্রি

সারাবছরের সংসার চালানোর একটা বড় খরচ এই সময়ই ঘরে তোলেন তরমুজ চাষীরা। এবছর বৃষ্টি-লকডাউন সব জলে ঢেলেছে। মাথায় ঋণের বোঝা নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় চন্দ্রকোণার তরমুজ চাষীরা।

Published by: Debalina Datta
First published: May 15, 2020, 11:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर