অল্পের জন্য কিং কোবরার ছোবল থেকে বাঁচলেন ব্যক্তি, রুদ্ধশ্বাস এই ভিডিও দেখার পর আঁতকে উঠবেন

অল্পের জন্য কিং কোবরার ছোবল থেকে বাঁচলেন ব্যক্তি, রুদ্ধশ্বাস এই ভিডিও দেখার পর আঁতকে উঠবেন
ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন আর কৌতূহলও অনেক। যা স্পষ্ট হয়েছে কমেন্ট বক্সে

ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন আর কৌতূহলও অনেক। যা স্পষ্ট হয়েছে কমেন্ট বক্সে

  • Share this:

#শিবামোগ্গা: কর্নাটকের শিবামোগ্গার ঘটনা। সাপ ধরতে গিয়েছিলেন ব্যক্তি। কিন্তু অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন। একটু বেকায়দা হতেই তেড়ে আসে কিং কোবরা। ছোবল মারতে যায় ওই ব্যক্তির পায়ে। এর জেরে ভয়ে জলে পড়ে যান তিনি। তবে আর এক সহকারীর জন্য প্রাণে বেঁচে যান। ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে ভিডিও।

সম্প্রতি ANI ট্যুইটারে এই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, চার দিকে জল। একটি ভাঙা গাছের গুঁড়ির উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে লোকটি। আর কোবরাটিকে ধরার চেষ্টা করছে। এমন সময় একটু বেকায়দা হতেই, তেড়ে আসে কিং কোবরা।

ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে ভিডিওটি। ১.২ লক্ষ বারের বেশি দেখা হয়েছে।IFS অফিসার পরভিন কাসওয়ান (Parveen Kaswan) ভিডিওটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, সাপটি কিং কোবরা ছিল। ব্যক্তির ভাগ্য ভাল। একটু-ওদিক হলেই ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটত।

ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন আর কৌতূহলও অনেক। যা স্পষ্ট হয়েছে কমেন্ট বক্সে। যাঁরা সাপ ধরার কাজ করছেন, তাঁদের জন্য উপযুক্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন নেটিজেনদের একাংশ। অনেকে আবার ব্যক্তির সাহসের প্রশংসা করেছেন। তবে ঘটনাটির বিরোধিতাও করেছেন ট্যুইট ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের কথায়, জঙ্গল থেকে এভাবে সাপেদের ধরে তাদের বিষ কেড়ে নেওয়া কোনও ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। একজন লিখেছেন, উপযুক্ত সুরক্ষা না নিয়ে কিং কোবরা ধরাটা অত্যন্ত ঝঁুকিপূর্ণ। এক্ষেত্রে সাপের বিষ উদ্ধারকারীকেই পরে উদ্ধার করতে হত।

প্রসঙ্গত, দেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা। ক্রমশ চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি। ২০১৭ সালের Down To Earth-এর এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরো পৃথিবীর সাপে কামড়ে মৃত্যুর ঘটনার প্রায় অর্ধেকই ঘটেছে ভারতে। ২০১৭ সালের জুন মাসে এই বিষয়টিকে নেগলেকটেড ট্রপিকাল ডিজিজ (Neglected Tropical Diseases) নামেও চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আর এর শিকার এশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকা।

প্রধানত, চারটি বড় সাপ অর্থাৎ স্পেকট্যাকেলড কোবরা (Spectacled Cobra), রাসেল ভাইপার (Russell’s Viper), ক্রেইট (Krait) ও স-স্কেলড ভাইপারের (Saw Scaled Viper) প্রতি নজর রাখা হয়। সাপ ধরার পর এদের বিষ থেকেই তৈরি হয় অ্যান্টি-ভেনম। যা চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত অপরিহার্য। এক্ষেত্রে যাঁরা সাপ ধরেন, তাঁদের নানা কো-অপারেটিভ সোসাইটি থাকে। আর এই কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলি নানা সংস্থাকে বিষ সরবরাহ করে। পরে বিষ থেকে অ্যান্টি-ভেনম তৈরি হয়।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: