দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

নদীতটে মিলছে মুঘল আমলের হাজার হাজার মোহর, গুপ্তধনের সন্ধানে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে মধ্যপ্রদেশে

নদীতটে মিলছে মুঘল আমলের হাজার হাজার মোহর, গুপ্তধনের সন্ধানে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে মধ্যপ্রদেশে

সম্প্রতি আট দিন মতো আগে এই অঞ্চল থেকেই মৎস্যজীবীরা কিছু ঐতিহাসিক মুদ্রা খুঁজে পেয়েছিলেন।

  • Share this:

#জব্বলপুর: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গোলমেলে লোক উপন্যাসে এমন একটা ঘটনার উল্লেখ ছিল। অদ্ভুতুড়ে সিরিজের সেই বইতেও গুপ্তধনের আশায় গ্রামের নীলকুঠি খুঁড়ে ফেলেছিল বাসিন্দারা। কিন্তু হাতে কয়েকটা ভাঙাচোরা বাসন ছাড়া কিছুই আসেনি! মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার ঘটনাটা অবশ্য একটু হলেও আলাদা। এখানেও ওই গুপ্তধনের আশাতেই মাটি খোঁড়াখুঁড়ি চলছে ঠিকই! তবে তা একেবারে অনর্থক নয়!

খবর বলছে যে সম্প্রতি এই অঞ্চল থেকেই মৎস্যজীবীরা কিছু ঐতিহাসিক মুদ্রা খুঁজে পেয়েছিলেন। সে কথা বিদ্যুতের গতিতে গ্রামের মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। তাই রাতারাতি সম্পদলাভের আশায় এখন শিবপুরা এবং গরুড়পুরা গ্রামের বাসিন্দারা পার্বতী নদীর নিকটবর্তী তট জুড়ে দিন-রাত খোঁড়াখুড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন। খবর বলছে যে এই পার্বতী নদীতট ভোপাল শহর থেকে ১৪১ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।

শিবপুরা এবং গরুড়পুরা গ্রামের বাসিন্দাদের দৃঢ় ধারণা এই যে পার্বতী নদীর তটরেখায় গুপ্তধন লুকিয়ে রাখা আছে। যার এক ঝলক আবিষ্কৃত হয়েছিল এর আগে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের দ্বারা। তাই তাঁরা সবাই মিলে আপাতত ওই এলাকা খুঁড়ে চলেছেন। দিন নেই, রাত নেই- খোঁড়াখুঁড়ি চলছে তো চলছেই। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক- সবার মুখেই এখন কেবল গুপ্তধনের গল্প। আর চোখে সম্পদলাভের আলো!

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় ১৮ বছরের রাণু যাদবের কথা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে এই প্রচেষ্টার মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু নেই। যদি কিছু পাওয়া যায়, তা মন্দ কী! আবার সেই তুলনায় ৩৭ বছরের রামনরেশ সিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গী রীতিমতো ইতিবাচক। তাঁর দাবি- পরিশ্রম ব্যর্থ হবে না, গুপ্তধন পাওয়া যাবেই! বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগের মুখে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কেন না, গ্রামবাসীরা আপাতত নদীর ধারেই তাঁবু ফেলেছেন। করোনাকালে যা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে। পাশাপাশি রয়েছে গণউত্তেজনার বিষয়টিও। যদি সত্যিই কিছু পাওয়া যায়, তা নিয়ে ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে কোনও উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি যে হবে না, সে কথা জোর দিয়ে বলা যায় না।

রাজগড়ের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট প্রদীপ শর্মা জানিয়েছেন যে ওই এলাকায় পুলিশের নিয়মিত নজরদারি চলছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে মৎস্যজীবীরা যে মুদ্রা পেয়েছিলেন, তা ব্রোঞ্জের ছিল। কিন্তু কোনও কিছুতেই কর্ণপাত করতে গ্রামবাসীরা রাজি নন। তাঁদের গুপ্তধনের সন্ধান আপাতত পুরোদমেই জারি রয়েছে।

Published by: Shubhagata Dey
First published: January 11, 2021, 11:58 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर