তাঁর সিদ্ধান্তেই ট্যুইটারে ব্যান হয়েছে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট! কে এই বিজয়া গড্ডে?

তাঁর সিদ্ধান্তেই ট্যুইটারে ব্যান হয়েছে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট! কে এই বিজয়া গড্ডে?
মাইক্রোব্লগিং সাইট্যুটুইটার (Twitter) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্ট পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

মাইক্রোব্লগিং সাইট্যুটুইটার (Twitter) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্ট পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অবশেষে অনেক সংঘর্ষের পর বিদায় নিচ্ছেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তাঁর জায়গায় আসছেন নতুন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন (Joe Biden)। কিন্তু হোয়াইট হাউজ থেকে বিদায় নেওয়ার আগে জোর ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প। মাইক্রোব্লগিং সাইট্যুটুইটার (Twitter) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্ট পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কৌতূহলের বন্যা বয়ে গিয়েছে। কার ঘাড়ে কটা মাথা যে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে? হ্যাঁ, এই সিদ্ধান্তের পিছনে যিনি রয়েছেন তাঁর একটাই মাথা। জন্মসূত্রে ভারতীয়-আমেরিকান, নাম বিজয়া গড্ডে (Vijaya Gadde)।

তবে যারা এমএজিএ অর্থাৎ মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (Make America Great Again)- এর সমর্থক, অর্থাৎ যাঁরা ট্রাম্পকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন, তাঁরা দলে দলে ট্যুইটার ছেড়েছেন ঘটনার প্রতিবাদে। জ্যাক ডোরসে (Jack Dorsey), অর্থাৎ যিনি ট্যুইটারের সিইও, তাঁর এই প্ল্যাটফর্মকে একহাত নিয়েছেন অনেকেই। ট্যুইটারে বসেই তাঁরা এই প্ল্যাটফর্মকে স্বাধীন বক্তৃতা দেওয়ায় রাশ টানাতে কথা শোনাতে ছাড়েননি। তবে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় ট্যুইটার। গত বুধবার ক্যাপিটাল হিলে যে হিংসার দৃশ্য দেখা গিয়েছে, তার নেপথ্যে ট্রাম্পের হাত আছে বলে মনে করছেন তাঁরা।

কিন্তু ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট কেন রুদ্ধ করে দেওয়া হল? খবর বলছে যে বহু দিন ধরেই টুইটার বনাম ট্রাম্পের একটা ঠাণ্ডা লড়াই চলছিল। এর মধ্যে ট্যুইটার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে ট্যাগ করে বলে যে তাঁর দেওয়া কয়েকটি খবর ভুয়ো। নভেম্বরে ইউএস নির্বাচনের সময়ে এই ঘটনা ঘটে। কিন্তু ক্যাপিটাল হিলের ঘটনা ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে শেষ পেরেক পুঁতে দিল। ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের বক্তব্য- এর পরেও ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট রাখলে আরও বেশি করে হিংসা ছড়াবে।


https://twitter.com/vijaya/status/1347686841881821184?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1347686841881821184%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.news18.com%2Fnews%2Fbuzz%2Fwho-is-vijaya-gadde-the-indian-american-woman-who-spearheaded-twitters-ban-on-donald-trump-3272489.html

কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার মতো এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে যিনি রয়েছেন, তিনি কে? বিজয়া গড্ডে ট্যুইটারের লিগাল পলিসি, ট্রাস্ট ও সেফটি বিভাগের প্রধান। ২০১৪ সাল থেকে ট্যুইটারে কাজ করছেন তিনি। ট্যুইটারের একজিকিউটিভ টিমে একমাত্র মহিলা হিসেবে এমনিতেই যথেষ্ট নাম করেছেন বিজয়া।

সংস্থার লিগাল পলিসির মূল কর্ত্রী হিসেবে বিজয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে ক্যাপিটাল হিলের ঘটনার পর ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট ট্যুইটারে রেখে দেওয়ার কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ এর পর আরও হিংসা বা দ্বেষ ছড়াক- সেটা সংস্থার কর্তৃপক্ষ চান না।

এই সিদ্ধান্তকে নিয়ে সঙ্গত কারণেই উত্তাল নেটিজেনদের একাংশ। সৎ সাহসের জন্য কুর্নিশ জানিয়েছেন তাঁরা বিজয়া গড্ডেকে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: