Home /News /national /
গাছে বেঁধে হাতির উপরে নির্মম অত্যাচার, ক্ষোভে ফেটে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়া

গাছে বেঁধে হাতির উপরে নির্মম অত্যাচার, ক্ষোভে ফেটে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়া

সাধারণত বন্য প্রাণীদের বিশেষভাবে দেখা-শোনা করার জন্য, তাদের সুস্বাস্থ্য ফেরাতে রেজুভেনেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। আর সেখানেই একটি হাত?

  • Share this:

#তামিলনাড়ু: গাছে বাঁধা রয়েছে হাতিটি। আর সমস্ত শক্তি দিয়ে সমানে তাকে মেরে চলেছে এক মাহুত ও তার সহকারী। রবিবার এমনই একটি ভিডিও শেয়ার করলেন IFS অফিসার অবনীশ শরণ (Awanish Sharan)। ভিডিওটি দেখার পর রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেকে মাহুত ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন অ্যাক্টের অধীনে আটক করা হয়েছে দু'জনকে।

The New Indian Express-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি তামিলনাড়ুর থেক্কামপট্টি (Thekkampatti) এলাকার একটি রেজুভেনেশন ক্যাম্পের ঘটনা। বেশ কয়েকদিন ধরে এই রেজুভেনেশন ক্যাম্পের মধ্যে ছিল হাতিটি। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গাছের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধা রয়েছে হাতি। আর দু'জন মিলে নির্মম ভাবে হাতিটির পিছনের পায়ে সমানে মেরে চলেছে। তবে সব চেয়ে দুঃখের বিষয় হল, পুরো ঘটনাটি ঘটেছে একটি রেজুভেনেশন ক্যাম্পের মধ্যে। সাধারণত বন্য প্রাণীদের বিশেষভাবে দেখা-শোনা করার জন্য, তাদের সুস্বাস্থ্য ফেরাতে রেজুভেনেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। আর সেখানেই একটি হাতির সঙ্গে এমন নির্বিচারে অত্যাচার চলেছে।

ওই সংবাদ প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি জানাজানি হতেই মাহুত ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হয়। ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন অ্যাক্টের অধীনে মাহুত বিনিল কুমার (Vinil Kumar) ও তার সহকারী শিবা প্রসাদকে (Siva Prasath) আটক করা হয়। এর পাশাপাশি মন্দির কর্তৃপক্ষ তথা শ্রীবিল্লিপুথুর নাচিয়ার থিরুকোভিল টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (Srivilliputhur Nachiyar Thirukovil Temple Administration) থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে বিনিলকে। তবে শিবা প্রসাদ মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। প্রতিবেদন সূত্রেই জানা গিয়েছে, হাতিটির নাম জয়মাল্যথা (Jeymalyatha)।

ইতিমধ্যেই হাতির উপর এই বেদনাদায়ক অত্যাচারের ভিডিওটি ব্যাপক মাত্রায় ভাইরাল হয়েছে। IFS অফিসার পরভিন কাসওয়ানও (Parveen Kaswan) ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। একের পর এক ব্যবহারকারী রিট্যুইট আর কমেন্টের মধ্য দিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ভিডিওটি দেখতে গিয়ে চোখে জল এসে গিয়েছে। বাধ্য হয়ে ভিডিও মিউট করতে হয়েছে। বড়ই নির্দয় ওই মাহুতরা। অনেকে লিখেছেন, ওই দৈত্যরূপী মাহুতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া উচিৎ। শুধুমাত্র Twitter-এই ১০২.৬ k ভিউজ পেরিয়েছে ভিডিওটির।

এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, বড় অদ্ভুত ভিডিও। এত মারের পরও সে ভাবে নড়াচড়া করতে দেখা যায়নি হাতিটিকে। বাঁধা থাকলেও হাতিটি কোনও রকম জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেনি। নিজের ক্ষমতা দেখায়নি। আসলে ওই নিষ্পাপ ও অবলা প্রাণীটি এত মারের পরও তার প্রভুদের প্রতি অনুগত ছিল। অনেকে আবার হাতিদের প্রশিক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের কথায়, এইরকম নিষ্ঠুরভাবে হাতিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পদ্ধতি অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। তাদের মুক্ত করে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া উচিৎ!

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

Tags: Elephant, Tamil Nadu, Viral Video

পরবর্তী খবর