Uttarakhand Tragedy: উত্তরাখণ্ড বিপর্যয়ে নিখোঁজ ১৩৬ জনকে 'মৃত' ঘোষণা করতে চলেছে প্রশাসন

Uttarakhand Tragedy: উত্তরাখণ্ড বিপর্যয়ে নিখোঁজ ১৩৬ জনকে 'মৃত' ঘোষণা করতে চলেছে প্রশাসন

উত্তরাখণ্ডের চামোলির বিপর্যয়ের পর ২ সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও ১৩৬ জনের কোনও হদিশ মেলেনি

উত্তরাখণ্ডের চামোলির বিপর্যয়ের পর ২ সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও ১৩৬ জনের কোনও হদিশ মেলেনি

  • Share this:

    #উত্তরাখণ্ড:উত্তরাখণ্ডের চামোলির বিপর্যয়ের পর ২ সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও ১৩৬ জনের কোনও হদিশ মেলেনি। নিখোঁজ এই ১৩৬ জনকে 'মৃত' ঘোষণা করতে চলেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। সোমবার পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৬৮ টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন, কিন্তু এখনও খোঁজ নেই আরও ১৩৬ জনের। উদ্ধার করা দেহর মধ্যে তপোবনের NTC বিদ্যুৎপ্রকল্পের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৪টি দেহ, বাকি দেহ উদ্ধার হয়েছে আশপাশের অঞ্চল থেকে।

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, কোনও দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তির ৭ বছরের মধ্যে খোঁজ না মিললে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ২০১৩-র কেদারনাথ বিপর্যয়ের ক্ষেত্রেও সময়সীমা ছিল ৭ বছর। কিন্তু চামোলির ঘটনায় Registration of Births and Deaths Act, 1969 অনুসরণ করা হচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী ৭ বছরের আগেই কোনও নিখোঁজ ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করা যেতে পারে। মৃতদের পরিবার যাতে দ্রুত ক্ষতিপূরণ পেতে পারে, তাই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, ২ লক্ষ টাকা দেবে কেন্দ্র।

    ৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় যোশীমঠের কাছে নন্দাদেবী হিমবাহ ফেটে অলকানন্দা এবং ধৌলিগঙ্গা নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়ে হড়পা বানের সৃষ্টি হয়, তছনছ হয়ে যায় তপবনের কাছে গড়ে ওঠা একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প৷ ৬৮ জনের দেহ উদ্ধার হলেও বাকি নিখোঁজদের কোনও হদিশ মেলেনি । বন্যার জলের স্রোতে পাহাড়ের তলদেশে অবস্থিত বাড়িগুলিও নিশ্চিহ্ণ হয়ে গিয়েছে। অনেক গ্রাম খালি করে লোকজনকে নিরাপদ অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। রেনি গ্রামের কাছে একটি ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার কারণে কয়েকটি সীমান্ত পোস্টের যোগাযোগ ছিল "সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ"।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: