• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • পাত্রীর রয়েছে ‘হোয়াটসঅ্যাপের নেশা’, বিয়ে ভেঙে দিল পাত্রপক্ষ !

পাত্রীর রয়েছে ‘হোয়াটসঅ্যাপের নেশা’, বিয়ে ভেঙে দিল পাত্রপক্ষ !

প্রতীকী ছবি ৷

প্রতীকী ছবি ৷

  • Share this:

    #উত্তরপ্রদেশ: বিয়ের সব আয়োজন সারা। পাত্রীও বধূবেশে প্রস্তুত। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা। লগ্ন বয়ে যায় যায়, অথচ পাত্রপক্ষের পাত্তা নেই। হঠাৎ পাত্রীর বাবার মোবাইলে একটি ফোন। ওপার থেকে ছেলের বাবা জানিয়ে দিলেন, বিয়ে হচ্ছে না। কিন্তু কেন? জানতে চাইলে বরের বাবার উত্তর, “আপনার মেয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে হোয়াটসঅ্যাপে, আপনার মেয়ের সঙ্গে ছেলের বিয়ে দিতে পারব না।” উত্তরপ্রদেশের আমরোহার নউগাঁও সদত গ্রামের ঘটনা। এই ঘটনা সামনে আসতে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পাত্রপক্ষের দাবি, মেয়ে অতিরিক্ত সময় কাটায় হোয়াটসঅ্যাপ করে। আর সেকারণেই বাতিল করা হয়েছে বিয়ে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যদি মেয়ের সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোয় আপত্তিই থাকত তাহলে আগে কেন জানানো হল না? এ প্রশ্নের জবাব পাত্রপক্ষের কাছে নেই। এরপরই আসরে নামে পাত্রীপক্ষ। তাদের দাবি, হোয়াটসঅ্যাপ শুধু অজুহাত। আসলে বিয়ে বাতিল করার কারণ পণের দাবি না মেটা। পাত্রপক্ষের তরফে নাকি ৬৫ লক্ষ টাকা পণ চাওয়া হয়েছিল ৷ আর তা দিতে না চাওয়াতেই শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেস্তে দেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে পাত্রের পরিবার ৷

    বিশ্বায়নের যুগে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার ছাড়া এক কদম চলতেও হোঁচট খায় মানুষ। কিন্তু তার জন্য এই পরিমাণ খেসারত দিতে হবে তা উত্তরপ্রদেশের আমরোহার ওই পরিবার স্বপ্নেও ভাবেনি। পাত্রীর বাবা উরোজ মেহেন্দির দাবি, “বিয়ের দিন আমরা যথেষ্ট অপমানিত হয়েছি। আমাদের আত্মীয়রা সবাই এসেছিলেন, নিমন্ত্রিতরাও এসেছিলেন। কিন্তু ওরা এলই না।” এরপরই ৬৫ লক্ষ টাকা পণ চাওয়ার অভিযোগ তুলে ছেলের বাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন মেহেন্দি।

    First published: