দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

চিনের সঙ্গে সংঘাতে ভারতের পাশে দাঁড়াবে আমেরিকা, স্পষ্ট করলেন মার্কিন বিদেশ সচিব

চিনের সঙ্গে সংঘাতে ভারতের পাশে দাঁড়াবে আমেরিকা, স্পষ্ট করলেন মার্কিন বিদেশ সচিব

তাঁরা জানিয়েছেন, ‘‌ভারতের সার্বভৌমত্ত্বে কোনও রকম আঘাত এলে আমেরিকা ভারতের পাশেই দাঁড়াবে।’‌

  • Share this:

#‌নয়াদিল্লি:‌ গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠকে মঙ্গলবারই দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও ও প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক টি এসপার। তাঁর ভারত চিনের লাদাখ স্ট্যান্ড অফ নিয়ে এদিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে আলোচনাতেও বসেন। সেই আলোচনার পরেই তাঁরা জানিয়েছেন, ‘‌ভারতের সার্বভৌমত্ত্বে কোনও রকম আঘাত এলে আমেরিকা ভারতের পাশেই দাঁড়াবে।’‌ অর্থাৎ ঘুরিয়ে চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যেভাবে চিন তাঁর সেনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে ও যেভাবে ভারতের উপর সীমান্ত জুড়ে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, সেই নিরিখে এই বার্তা ভারতকে যথেষ্ট শক্তি দেবে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

এদিন নয়াদিল্লিতে প্রায় ৪০ মিনিট কথা বলেন অজিত দোভাল ও মার্কিন প্রতিনিধিরা। এদিন জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতি সংগ্রহশালায় যান তাঁরা। গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা চিনের সেনার সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মাইক পম্পেও জানিয়েছেন, ভারতের সার্বভৌমত্ত্বের লড়াইয়ে আমেরিকা সবসময় পাশে থাকবে। এছাড়াও অন্যান্য বিভিন্ন শাখায় ভারত ও আমেরিকার সুসম্পর্ক তৈরি করার বিষয়ে দুই দেশ হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।’‌ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘‌আমেরিকার নেতৃত্ব ও সে দেশের নাগরিকেরা জানেন, চিনের কমিউনিস্ট পার্টি গণতন্ত্রের সমর্থক নয়। মুক্ত ও উন্নত ভারত উপমহাদেশ গড়ে তুলতে তাঁদের কোনও উদ্যোগ নেই। কারণ, চিনের অস্বচ্ছ নীতি ও সঠিক আইনের শাসনের বিরোধিতা সেই পথ আটকে রাখছে। তাই আমেরিকা ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি সহ আরও অন্য গণতন্ত্র বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করতে চাইছে। ‌ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পর আমেরিকা প্রথম থেকেই চিনকে দোষ দিয়ে আসছে। তারপর সীমান্ত সমস্যার কারণে ভারতে চিনের বাণিজ্যের পরিসর অনেকটাই কমেছে। সম্প্রতি চারদেশের সন্মেলনে দাঁড়িয়ে মাইক পম্পেও চিনের বিস্তারবাদের স্পষ্ট বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিনের বিস্তারবাদের হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করাই এখন আমেরিকার মূল চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ ও পশ্চিম চিন সাগর, হংকং, তাইওয়ান সহ একাধিক ইস্যু তাঁরা চিনের বিরুদ্ধে তুলে এনেছেন।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 27, 2020, 4:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर